লেখক সারাহ হার্ভে, হেমিন সুনিম, হেক্টর গার্সিয়া প্রমুখ-এর ‘ইনার গ্রোথ কালেকশন’ পাঠকের সামনে এসেছে আত্ম উন্নয়ন ও মোটিভেশন বিষয়ক বই হিসেবে। প্রকাশক রুশদা প্রকাশ।
“ছোটো ছোটো বালুকণা,বিন্দু বিন্দু জল,গড়ে তোলে মহাদেশ,সাগর অতল।” ঠিক তেমনি ছোটো ছোটো কিছু সুঅভ্যাসের ধারাবাহিক প্রয়োগের মাধ্যমে আপনার জীবনেও আসতে পারে কাঙ্ক্ষিত ও বড় মাপের ইতিবাচক পরিবর্তন। আর সেই পরিবর্তনের পদ্ধতিই জাপানী ভাষায় পরিচিতি ‘কাইজেন’ নামে। কাইজেন মূলত দুটি শব্দ নিয়ে গঠিত,কাই=পরিবর্তন,জেন = ভাল। ভালোর জন্য যে পরিবর্তন তাকে বলে কাইজেন। স্বভাবসুলভভাবেই জাপানিজরা শব্দটিকে বাস্তবে প্রয়োগ করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি তাদের কর্ম জীবনেও এই শব্দের যথাযথা ব্যবহার করেছেন,এনেছেন সাফল্য। সেই একই পদ্ধতি কার্যকর অন্যান্য দেশ ও সংস্কৃতিতেও,যার প্রয়োগে সেখানকার মানুষের জীবনেও আসতে পারে ইতিবাচক ও দীর্ঘস্থয়ী পরির্তন।
হোয়েন থিংস ডোন্ট গো ইওর ওয়ে
এক ছোট্ট গ্রামে একজন একাকী, মধ্যবয়ষ্ক লোক ছিলেন। একদিন তিনি তার ঘরের দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ শুনে দরজা খুলে দেখুন, স্বর্গীয় পোশাক গায়ে, জাঁকালো গয়নায় সজ্জিত অসাধারণ একজন মহিলা দাঁড়িয়ে আছেন। তার অবাক করা ঘ্রাণ আর সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়ে লোকটি ভদ্রতার সাথে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন,,”কে আপনি?” মহিলাটি উত্তরে বললেন, “আমি আনন্দ উৎকর্ষের দেবী। আমি আপনার কাছে উন্নতি, সফলতা, ভালোবাসা অর্পণ করতে এসেছি।” তার কথায় খুশি হয়ে সাথে সাথে লোকটি তাকে ভিতরে আসার আমন্ত্রণ জানালেন, এবং তার সম্মানার্থে ভোজের আয়োজন করলেন।
কিছু সময় পর লোকই তার দরজায় আবার কড়া নাড়ার শব্দ পেলন ।
বিশেষ করে নিজেকে গড়ে তুলতে আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি কাজে লাগবে। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।