একজন সর্দারজি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার মৃতদেহ যথারীতি হাসপাতাল থেকে বের করা হলো। শেষকৃত্যের আগে একটি স্বতঃস্ফূত শবমিছিল তৈরি হয়ে গেলো। কফিন নিয়ে চারজন সামনে আর পেছনে প্রায় চার হাজার আনন্দ-উচ্ছল সর্দার। তারা ভাঙ্গরা নৃত্য করছে, গান গাইছে ‘বাল্লে বাল্লে।’ রাস্তায় লোকজন অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখছে। যেখানে শবযাত্রা সেখানে এই আনন্দ উৎসব কেনো- এটা তো বিয়ের বরাত নয়। মৃত্যু নিয়ে এতো আনন্দ- উচ্ছ¡াস আগে কেউ দেখেনি। পথচারীদের একজন জিজ্ঞেস করলো, কী ব্যাপার? আপনাদের একজন লোক মারা গেলো। কোথায় তার জন্য শোক করবেন, সেখানে নেচে-গেয়ে উল্লাস করছেন? মিছিলে ছিলেন আমাদের সর্দারজি । তিনি বললেন, ভুল বুঝবেন না। এতোদিন শুনে এসেছি সর্দারদের ব্রেইন নেই। আজকের এই মরহুম সর্দারজি সর্দারদের মধ্যে সর্বপ্রথম’ব্রেইন টিউমারে’ মৃত্যুবরণ করেছেন। প্রমান হলো তো, আছে! হাসতে গেলে যাদের যাদের চাপা ব্যথা করে তাদের চাপায় গ্রিজ দেবার জন্যই হ্যালো সর্দারজি। সর্দারজি জোক পড়ে যদি কেউ বলেন, এতে হাসির কি হলো, এই বইটি তাদের কিনতে মানা। এমন কি বিনে পয়সায় দিলেও নেবেন না।