‘বিড়াল’ আন্দালিব রাশদী-এর লেখা সমকালীন উপন্যাস। প্রকাশনার দায়িত্বে নাগরী। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ৬৪ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2025 নিয়ে।
বড়ো হুজুর অষ্টম পোপ দ্য ইনোসেন্ট মনে করতেন, বিড়ালের ওপর শয়তানের আছর আছে, ভ‚ত-প্রেত-দানবের ভয়ঙ্কর আছর আছে। সুতরাং তিনি নির্দেশ দিলেন-- বৎস, আর বিলম্ব নয়, যার যা অস্ত্র আছে তা নিয়ে তোমরা ঝাপিয়ে পড়ো, যেখানে পাও বিড়াল ধরো আর হত্যা করো।
বিড়ালের মুত্যুর ব্যাপারে কোনও বাধ্যবাধকতা থাকার কথা নয়। তবে এটাও ঠিক, প্রথাগতভাবে বাসররাতেই বিড়াল মারার কথা বলা হয়েছে। নরনারীর আনুষ্ঠানিক বিয়ে চালু হবার কিছুকাল পর থেকেই বাসররাতে বিড়াল মারার পরামর্শটি শোনা যাচ্ছে।
শেহাবউদ্দিন মিল্কি এটাকে তেমন গুরুত্ব দিতে চায় না। বিড়াল মারার জন্য দিনও যা, রাতও তাই; সাদা বিড়াল যা কালোটা তাই। বিড়ালটা মরল কিনা, সেটাই মূল কথা।
বিভিন্ন বয়সী বন্ধু, শুভানুধ্যায়ী ও মুরুব্বিরা বলেছেন, শেহাবউদ্দিন রাতে মারাই উত্তম। যাদের সাথে গত কুড়ি বছর দেখা নেই তাদেরও কেউ কেউ কানের কাছে ফিসফিস করে বলে গেছে, মনে রাখিস, রাতেই, মানে বাসররাতেই বিড়াল মারতে হয়।
বিশেষ করে সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি কাজে লাগবে। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।