দত্তা বনমালী, জগদীশ ও রাসবিহারী তিন বাল্যবন্ধু একসাথে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দেশের সেবা করবে। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে তাদের সিদ্ধান্তেরও পরিবর্তন ঘটে। বনমালীর ইচ্ছে ছিল জগদীশের ছেলে নরেন্দ্রের সাথে তার মেয়ে বিজয়ার বিয়ে দিবেন। বনমালী মৃত্যুর আগে তা বিজয়াকে বলে যান। বনমালীর সব সম্পত্তি দেখাশোনার দায়িত্ব ছিল তার কূটচরিত্রের বন্ধু রাসবিহারীর ওপর। রাসবিহারীর ইচ্ছে তার ছেলে বিলাসবিহারীর সাথে বিজয়ার বিয়ে দিতে। বিজয়া হঠাৎ করেই সব কিছুর দায়িত্ব নিজেই নিয়ে নিল আর তাকে সাহায্য করত রাসবিহারী ও বিলাসবিহারী। জগদীশ অনেক দেনা করে মারা যায়, কিন্তু বনমালী তা মওকুফ করে দেন। আর বনমালী নিজের টাকা দিয়ে নরেন্দ্রকে বিলেত পাঠায় ডাক্তারি পড়ার জন্য। নরেন্দ্রের পরিচয় না জেনেই বিজয়া নরেন্দ্রের সাথে অনেক আলাপ করে। এইসব অপছন্দ করে বিলাসবিহারী, সে কড়া কড়া কথা শুনাতে থাকে বিজয়াকে। বিজয়াও বিলাসবিহারীকেও কিছু কড়া কথা শুনিয়ে দেয়। যার ফলে বিলাসবিহারীর মাঝে আসে এক পরিবর্তন। আর এইদিকে বিলাসবিহারীর সাথে বিজয়ার বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। এইভাবেই এগিয়ে গেছে উপন্যাসের কাহিনি।