বিন্দুর ছেলে একান্নবর্তী পরিবারের পারিবারিক সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, টানাপোড়নসহ নানা ঘটনা গল্পটিতে উঠে এসেছে। দুই বৈমাত্রেয় জ্ঞাতি ভাই যাদব ও মাধব। কিন্তু আপন ভাই ব্যতীত নিজেদেরকে তারা কখনো অন্যকিছু ভাবেনি। অভাব-অনটনের মাঝেও মাধবকে আইন পাশ করায় যাদব ও তার স্ত্রী অন্নপূর্ণা। জমিদারকন্যা বিন্দু বউ হয়ে আসে মাধবের ঘরে। অল্পতেই প্রচণ্ড অভিমানী বিন্দুর অভ্যাস ছিল মূর্ছা যাওয়া। একদিন বিন্দুর মূর্ছা যাওয়ার পূর্বে অন্নপূর্ণা তার দেড় বছরের ছেলে অমূল্যচরণকে বিন্দুর কোলে তুলে দেওয়ার পর দেখা গেল বিন্দু আর মূর্ছা যায় না। এরপর থেকে অমূল্য বিন্দুর কাছে মানুষ হতে থাকে এবং তাকেই মা বলে ডাকে। পরবর্তীতে যাদব-মাধবের বোন এলোকেশী ঠাঁই নেয় তাদের সংসারে। এলোকেশীর ছেলে নরেনের সাথে সখ্যতার দরুন অমূল্য বখে যেতে শুরু করে। আর তার ফলে দূরত্ব সৃষ্টি হয় অন্নপূর্ণা ও বিন্দুর মাঝে। এভাবেই নতুন মোড় নেয় গল্পটি।