0টি পণ্য পাওয়া গেছে
কোনো পণ্য পাওয়া যায়নি।
দাগ টানা পাতায় সব কাজ হয় না। গ্রাফ আঁকা, নকশার স্কেচ, ছক কাটা কিংবা বুলেট জার্নালের পাতা সাজানো — এসবের জন্য দরকার ঘর বা বিন্দু দিয়ে ভাগ করা কাগজ। গ্রাফ, গ্রিড ও ডট নোটবুকের এই বিভাগে ঠিক সেই ধরনের খাতাগুলোই একসঙ্গে রাখা হয়েছে।
গ্রাফ নোটবুকে থাকে স্পষ্ট বর্গাকার ঘর, সাধারণত পাঁচ মিলিমিটার বা এক সেন্টিমিটার মাপের, যা অঙ্ক, পরিসংখ্যান ও কারিগরি চিত্রের কাজে লাগে। গ্রিড নোটবুকের দাগ তুলনামূলক হালকা, ফলে লেখা ও ছক দুটোই পরিষ্কার দেখায়। ডট নোটবুকে দাগের বদলে থাকে সরু সরু বিন্দু, যা প্রয়োজন মতো সীমারেখা হিসেবে কাজ করে অথচ আঁকা বা লেখার ওপর চোখে পড়ে না। মাপে এ-ফাইভ ও এ-ফোর সংস্করণই বেশি চলে।
কাজের ধরন বুঝে ঘর বা বিন্দু বেছে নিন।
প্রকৌশল ও বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী, স্থপতি, নকশাবিদ, হিসাবরক্ষক এবং বুলেট জার্নাল করা যে কেউ — বইপোকার এই গ্রিড ও ডট নোটবুক সারিতে নিজের পছন্দের পাতা খুঁজে পাবেন।
লেখার পাশাপাশি আঁকা, ছক ও তালিকা মিলিয়ে করতে চাইলে ডট গ্রিড ভালো, কারণ বিন্দুগুলো দিক দেখায় অথচ চূড়ান্ত পাতায় দাগ হিসেবে চোখে পড়ে না। নিখুঁত মাপে চিত্র আঁকতে হলে স্পষ্ট দাগের গ্রিড বেশি সুবিধাজনক।
স্কুল ও কলেজের সাধারণ অঙ্কের জন্য পাঁচ মিলিমিটার ঘরই বেশি ব্যবহৃত হয়। বড় চিত্র বা লেখা বড় হলে এক সেন্টিমিটার ঘর আরামদায়ক, আর খুব সূক্ষ্ম কারিগরি কাজে ছোট ঘরের পাতা লাগে যাতে বেশি বিভাজন ধরে।
বুলেট জার্নালের জন্য ডট পাতার এ-ফাইভ নোটবুক সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। কাগজ একটু মোটা হলে মার্কার বা ব্রাশ পেনের কালি উল্টো পিঠে বসে না, আর সেলাই করা বাঁধাই থাকলে পাতা সমতল হয়ে খোলে বলে সাজাতে সুবিধা হয়।