98টি বই পাওয়া গেছে
সন্তান বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্নগুলোও বদলায়—শিশুকে ঘুম পাড়ানো থেকে শুরু করে কিশোর সন্তানের সঙ্গে কথা বলার উপায় পর্যন্ত। প্যারেন্টিং বইগুলো তৈরি উত্তর দেয় না, বরং প্রতিটি বয়সে শিশুর আচরণের পেছনের কারণ বুঝিয়ে অভিভাবককে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। নতুন বাবা-মা থেকে দাদা-দাদি—সবাই এখানে কিছু খুঁজে পান।
এই বিভাগে থাকে শিশুর বিকাশের ধাপ, খাওয়া-ঘুম-অভ্যাসের রুটিন, শাসন বনাম বোঝাপড়ার আলোচনা, পড়াশোনা ও স্ক্রিন টাইম সামলানো, ভাইবোনের মধ্যে সম্পর্ক, কিশোর বয়সের মানসিক পরিবর্তন, একক অভিভাবকত্ব, যৌথ পরিবারে মানিয়ে নেওয়া এবং সন্তানের সঙ্গে খোলামেলা যোগাযোগের কৌশল নিয়ে লেখা বই। উপস্থাপনায় কোনোটি গবেষণানির্ভর, কোনোটি আবার অভিজ্ঞতা ও গল্পের ঢঙে লেখা।
অভিভাবক হিসেবে বই বাছার সহজ উপায়
শিশুর আচরণ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ থাকলে বইয়ের পাশাপাশি যোগ্য চিকিৎসক বা শিশু-মনোবিদের পরামর্শ নিন। বইপোকা কেবল পড়ার উপকরণটুকু এগিয়ে দেয়।
না, প্রতিটি শিশুর স্বভাব আলাদা। বই সাধারণ প্রবণতা ও বিকাশের ধাপ বোঝায়, যা দেখে অভিভাবক নিজের সন্তানের জন্য উপযুক্ত পথ ঠিক করতে পারেন। একটি পদ্ধতি না মিললে অন্যটি চেষ্টা করা যায়। বইকে নির্দেশ নয়, সহায়ক পরামর্শ হিসেবে দেখা ভালো।
হ্যাঁ, কৈশোরের মানসিক পরিবর্তন, বন্ধুবৃত্ত, আত্মপরিচয় ও যোগাযোগের দূরত্ব নিয়ে আলাদা বই রয়েছে। এই বয়সে শাসনের ধরন বদলাতে হয় বলে ছোট শিশুর বই এখানে তেমন কাজে আসে না। সন্তানের বয়স ধরে বাছাই করলেই ফল ভালো।
একই বই পড়লে দুজনের মধ্যে ভাষা ও দৃষ্টিভঙ্গি মিলে যায়, ফলে সন্তানের সামনে পরস্পরবিরোধী বার্তা কম যায়। সহজ ভাষার একটি বই বেছে নিয়ে অধ্যায় ধরে আলোচনা করলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। এটি বাধ্যতামূলক নয়, তবে বেশ কার্যকর।