0টি পণ্য পাওয়া গেছে
কোনো পণ্য পাওয়া যায়নি।
ঘরের সিলিং লাইটে পড়তে বসলে নিজের মাথার ছায়াই খাতার ওপর পড়ে। ডেস্ক ল্যাম্প ঠিক সেই জায়গায় আলো ফেলে যেখানে দরকার—খাতা, বই আর কিবোর্ডের ওপর। এই উপবিভাগে পড়ার টেবিল ও কাজের ডেস্কের জন্য টেবিল-ল্যাম্পগুলো রাখা হয়েছে।
রাখা হয় বাহু ভাঁজ করে আলোর দিক বদলানোর এলইডি ডেস্ক ল্যাম্প, টেবিলের ধারে আটকানোর ক্ল্যাম্প ল্যাম্প, ব্যাটারিতে চলা রিচার্জেবল ধরন, উষ্ণ থেকে শীতল—আলোর রং বদলানোর মডেল, ছোঁয়ায় উজ্জ্বলতা কমানো-বাড়ানোর টাচ ল্যাম্প এবং ফোন চার্জের পোর্ট বা কলমদানি জুড়ে দেওয়া মিশ্র ধরন। এলইডি আলো কম বিদ্যুৎ খরচ করে, গরম হয় না এবং দীর্ঘদিন টেকে; আর ঝিকমিক-মুক্ত আলো দীর্ঘ পড়ায় চোখের ক্লান্তি কমায়—এই দুটি বৈশিষ্ট্যই বাছাইয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়।
ভালো ডেস্ক ল্যাম্প মানে শুধু উজ্জ্বল আলো নয়, ছায়া ও ঝলকহীন সমান আলো।
রাত জেগে পড়া পরীক্ষার্থী, বাসায় কাজ করা পেশাজীবী, সূক্ষ্ম হাতের কাজ করা শিল্পী কিংবা সন্তানের পড়ার টেবিলে ঠিক আলো চাওয়া অভিভাবক—সবার টেবিলের আলোর সমাধান রাখে বইপোকা।
দীর্ঘ পড়াশোনা ও লেখার জন্য নিরপেক্ষ থেকে ঠান্ডা-সাদা আলো হরফ স্পষ্ট দেখায় ও সজাগ রাখে। রাতে ঘুমের আগে হালকা পড়ার জন্য উষ্ণ হলদেটে আলো চোখে আরাম দেয়। আলোর রং বদলানোর সুবিধাযুক্ত ল্যাম্প নিলে দুই সময়েই মানিয়ে নেওয়া যায়। যে রঙেই পড়ুন, ঘরের বাকি আলো পুরো বন্ধ না রাখাই ভালো।
পড়ার টেবিলে খাতার ওপর সমান ও পর্যাপ্ত আলো দরকার, তবে এত উজ্জ্বল নয় যে সাদা কাগজ থেকে ঝলক আসে। কয়েক ধাপে উজ্জ্বলতা কমানো-বাড়ানোর সুবিধা থাকলে দিনের আলো, সন্ধ্যা ও গভীর রাতে আলাদা মাত্রায় ব্যবহার করা যায়। ল্যাম্পের মাথা যেন সরাসরি চোখে না লাগে, সেভাবে কোণ ঠিক করুন।
বিদ্যুৎ চলে গেলে বা টেবিলের কাছে সকেট না থাকলে রিচার্জেবল ল্যাম্প খুব কাজে আসে, আর তার নেই বলে টেবিল গোছানো থাকে। তবে ব্যাটারির স্থায়িত্ব উজ্জ্বলতার মাত্রার ওপর নির্ভর করে, পূর্ণ উজ্জ্বলতায় দ্রুত শেষ হয়। রোজ দীর্ঘ সময় পড়লে চার্জে লাগিয়েও চালানো যায় এমন মডেল বেছে নেওয়া ভালো।