0টি পণ্য পাওয়া গেছে
কোনো পণ্য পাওয়া যায়নি।
টেবিলের ওপর কলম গড়াচ্ছে, কেবল ঝুলছে, কাগজ উড়ছে—এই ছোট ছোট বিশৃঙ্খলাই কাজে বসার আগে মন ভারী করে দেয়। ডেস্ক অ্যাকসেসরিজের এই উপবিভাগ সেই টেবিলটাকে এমন জায়গায় বদলে দেওয়ার জন্য, যেখানে প্রতিটি জিনিসের নিজের ঠিকানা আছে।
রাখা হয় কলম ও কাঁচি দাঁড় করানোর পেন হোল্ডার, লেখা ও মাউসের জন্য বড় ডেস্ক ম্যাট, পর্দা চোখের সমান্তরালে তোলার মনিটর স্ট্যান্ড, তারের গোছা সামলানোর কেবল ক্লিপ ও স্লিভ, কাগজ স্তরে রাখার ডকুমেন্ট ট্রে, ছোট জিনিসের ড্রয়ার বক্স, ফোন ও ট্যাবলেট স্ট্যান্ড, ডেস্ক ক্যালেন্ডার এবং কবজির নিচে রাখার প্যাড। কাঠ, বাঁশ, ধাতু, ফেল্ট ও অ্যাক্রিলিকের এসব জিনিস আলাদা আলাদা কিনতে হয় না—কাজের ধরন বুঝে দু-তিনটি বেছে নিলেই টেবিলের চেহারা ও কাজের গতি দুটোই বদলায়।
ডেস্ক অ্যাকসেসরিজ বাছাইয়ের সূত্র সহজ—যে জিনিস রোজ খুঁজতে হয়, তার জন্যই আগে জায়গা বানান।
বাসা থেকে কাজ করা পেশাজীবী, নোট আর বইয়ের ভিড়ে থাকা শিক্ষার্থী, ছোট অফিসের টেবিল সাজানো উদ্যোক্তা কিংবা সহকর্মীকে কাজের উপহার খুঁজছেন যে কেউ—কাজের টেবিলের সরঞ্জাম এক জায়গায় রাখে বইপোকা।
ডেস্ক অর্গানাইজার মূলত জিনিস গুছিয়ে রাখার খোপ ও ট্রে—পেন হোল্ডার, ড্রয়ার বক্স, ডকুমেন্ট ট্রে। ডেস্ক অ্যাকসেসরিজ তার চেয়ে বড় পরিসর, যেখানে গোছানোর জিনিসের সঙ্গে কাজের আরাম ও ভঙ্গি ঠিক রাখার সরঞ্জামও থাকে—মনিটর স্ট্যান্ড, ডেস্ক ম্যাট, কবজির প্যাড, কেবল ক্লিপ বা ফোন স্ট্যান্ড।
ল্যাপটপ বা নিচু মনিটরে কাজ করলে সারাদিন মাথা নিচু থাকে, যা ঘাড় ও কাঁধে টান ধরায়। স্ট্যান্ড পর্দাকে চোখের উচ্চতায় তোলে, ফলে মাথা সোজা রেখে কাজ করা যায়। পাশাপাশি স্ট্যান্ডের নিচের ফাঁকা জায়গায় কিবোর্ড, নোটবুক বা কলমদানি ঢুকিয়ে টেবিলের ওপরের জায়গা ফিরে পাওয়া যায়।
কিবোর্ড ও মাউস দুটোই এক ম্যাটে রাখতে চাইলে টেবিলের চওড়ার অধিকাংশ ঢাকে এমন বড় ম্যাট নিন; শুধু লেখার জন্য মাঝারি মাপই যথেষ্ট। কৃত্রিম চামড়ার ম্যাট মুছে পরিষ্কার করা সহজ ও অফিসে মানানসই, ফেল্ট নরম ও শব্দ কমায়, আর রাবার-ভিত্তির ম্যাট টেবিলে পিছলায় না। নিচের দিক আঁকড়ে থাকে কি না দেখে নিন।