24টি বই পাওয়া গেছে
দেশের বড় ইতিহাসের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে ছোট ছোট জনপদের গল্প—কোন নদী কবে গতিপথ বদলাল, কোন হাট কবে বসল, কোন পরিবার কোন আন্দোলনে নাম লেখাল। নিজের জেলা বা অঞ্চলের সেই আলাদা ইতিহাস খুঁজতে গিয়েই পাঠক এই বিভাগে আসেন।
এই তালিকায় থাকে জেলা-ইতিহাস, উপজেলা ও জনপদভিত্তিক রচনা, নদীকেন্দ্রিক ইতিহাস, পুরোনো জমিদারি ও প্রত্নস্থলের বিবরণ, স্থানীয় ভাষা-উপভাষা ও লোকসংস্কৃতির আলোচনা এবং আঞ্চলিক আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিবৃত্ত। অনেক বই স্থানীয় গবেষক ও শিক্ষকদের দীর্ঘ মাঠপর্যায়ের কাজের ফল, তাই সেখানে জাতীয় ইতিহাসে জায়গা না পাওয়া বহু খুঁটিনাটি ধরা পড়ে। সমাজ, কৃষি ও ব্যবসার পুরোনো ধরনও উঠে আসে।
আঞ্চলিক ইতিহাসের বই খুঁজতে গেলে যা মনে রাখবেন
নিজের শিকড় জানতে আগ্রহী পাঠক, স্থানীয় গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য বইপোকা এই আঞ্চলিক ইতিহাসের তাকটি আলাদা করে সাজিয়েছে।
অনেক সময় একক জেলার বই না থাকলেও বৃহত্তর অঞ্চল বা বিভাগভিত্তিক গ্রন্থে সেই এলাকার আলাদা অধ্যায় থাকে। পুরোনো প্রশাসনিক নাম ধরে খোঁজাও কাজে দেয়, কারণ জেলার সীমানা ও নাম সময়ের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বদলেছে।
যেসব বইয়ে দলিল, শিলালিপি, আদমশুমারি বা সাক্ষাৎকারের সূত্র উল্লেখ থাকে, সেগুলো গবেষণায় উদ্ধৃত করা যায়। সূত্রহীন স্মৃতিনির্ভর রচনাও মূল্যবান, তবে সেগুলোকে প্রাথমিক তথ্যের বদলে সহায়ক উপাদান হিসেবে ব্যবহার করাই নিরাপদ।
ভৌগোলিক পরিচিতি, জনপদের উৎপত্তি, প্রশাসনিক ইতিহাস, উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, মেলা-উৎসব, ভাষা-উপভাষা এবং স্থানীয় আন্দোলনের বিবরণ—এসবই সাধারণত অধ্যায় আকারে সাজানো থাকে।