ভোল্গার তীর থেকে গঙ্গার উপত্যকা পর্যন্ত মানুষের দীর্ঘ যাত্রাকে গল্পের পর গল্পে ধরেছেন রাহুল সাংকৃত্যায়ন। ‘ভোল্গা থেকে গঙ্গা’ তাই শুধু একটি গল্পগ্রন্থ নয়, মানবসভ্যতার বিবর্তনের এক কথাসাহিত্যিক মহাকাব্য—কীভাবে সমাজ, জাতি ও গোষ্ঠী গড়ে ওঠে এবং সময়ের সঙ্গে বদলে যায়, ঐতিহাসিক সত্যের ভিত্তিতে তারই বয়ান।
১৯৪৩ সালে হাজারিবাগ কারাগারে বন্দি অবস্থায় বইটি রচনা করেন পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত এই লেখক। প্রকাশের পর হিন্দিভাষী অঞ্চলে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দেয় এটি, আর আজও নানা ভাষায় বহু সংস্করণে পাঠকপ্রিয়। কাহিনির ধারা এসে থেমেছে বিংশ শতাব্দীতে। বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন অসিত সেন, সুধীর দাস ও মৃণাল চৌধুরী।
৩৭২ পৃষ্ঠার এই বই ইতিহাস ও সমাজচিন্তায় আগ্রহী পাঠকের জন্য যেমন, তেমনি ভালো গল্পের খোঁজে থাকা যেকোনো পাঠকের জন্যও এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা।