‘আকবর’ — রাহুল সাংকৃত্যায়ন-এর কলমে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব বিষয়ক বই। হাওলাদার প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত। সব মিলিয়ে ৩৬৮ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2020।
হিন্দীর স্বনামধন্য কবি রহীমের রচনাবলীর প্রতি আকর্ষণ তথা তাঁর সমাধি—সৌধ দর্শনের ফলে এই মহান কবির একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী লেখার অনুপ্রেরণা লাভ করি। তখন কি ভাবতে পেরেছিলাম, ‘আঙুল ধরতে গিয়ে কজি ধরা’—র প্রবাদবাক্য সত্যে পরিণত হবে। আকবরের এক রত্ন সম্পর্কে লিখে ফেলার পর অন্যান্য রত্ন সম্পর্কেও কলম চলতে থাকে। তারপর ভাবি, হিন্দীতে আকবরের উপর এমন কোনো বই নেই, যা থেকে সেই মহাপুরুষকে ঠিকভাবে বোঝা যায়।
(শ্রী রামচন্দ্র বর্মা, আজাদের ‘দরবার—আকবরী’ গ্রন্থের অনুবাদ কয়েক বছর পূর্বেই করেছিলেন।) আজাদই প্রথম ভারতীয় যিনি আকবরের প্রতি সুবিচারের উদ্দেশ্যে তাঁর বলিষ্ঠ লেখনী হাতে তুলে নিয়েছিলেন। তাতে অনেক গুণ থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু ঘাটতি রয়েছে, কেননা আকবরকে ইসলামের শত্রু মনে করে যে—সব পাঠকেরা তাঁর প্রতি ঘৃণা পোষণ করত, তাদের কাছে তিনি আকবরের হয়ে সাফাই গেয়েছেন। আকবরের উত্তম জীবনী রচনা করেছেন ভিনসেন্ট স্মিথ। যদিও পূর্ববর্তী গ্রন্থগুলি আরও অনেক তথ্য যোগায়, তবু স্মিথের গ্রন্থখানির মূল্য কম নয়। আমি এই গ্রন্থ দু’খানি থেকে অনেক বেশি সাহায্য নিয়েছি।
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব-এ আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। বইপোকার সংগ্রহে বইটি রয়েছে।