‘সুরাইয়া’ — মেহেদী হাসান-এর কলমে সমকালীন উপন্যাস। প্রকাশক অনন্যা। বইটিতে আছে ১৫১ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: ১ম প্রকাশ, ২০-১৮।
বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে নেওয়া
একটা কুয়াশাচ্ছন্ন আর অবলীলায় অবহেলিত ভালোবাসার স্মৃতি আর তারই প্রবঞ্চনা আমাকে কি কোনো দিন সুখি হতে দিবে?- এই ভাবনায় ভীষণ মশগুল রাফায়েল! রাফায়েল এমন একটা পরিস্থিতির ভেতর অবস্থান করছে, যেই পরিস্থিতির প্রবঞ্চনা থেকে সে না পারছে সেই খোলসের ভেতর থাকতে, না পারছে বাইরে আসতে।
যতো যাই পরিস্থিতির সৃষ্টিই হউক না কেন, কোনো বিবাহিত মধ্য বয়সী পুরুষেরও যে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া যৌন বাসনা গুলোও সব কিছুর সাথে এসে উপস্থিত হয় তা রাফায়েল এই আজকের দিনে কীভাবে তা প্রত্যাক্ষাণ করবে? যদিও কিছুদিন আগে রাফায়েলের স্ত্রী মারা গেছেন বা কারও ধারণা তার স্ত্রী যৌয়াকে কারা যেন খুন করেছে। তবে সে যাই হউক, বিবাহের প্রথম দিন থেকেই যৌয়ার দ্বারা অবহেলিত থেকেও আজ সে তার স্ত্রী যৌয়ার সবচেয়ে কাছের বা ভালোবাসার মানুষটির সন্ধানে বের হয়।
কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস আজকে যে দোষের দোষিকে খুঁজতে গিয়ে সে নিজেই সেই দোষের আসামী হয়ে নিজের কাঠগড়ায় এসে উপস্থিত।
'সুরাইয়া'-মানুষের অনুভূতি বোঝার উপন্যাস। আমাদের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বোধকে স্পর্শ করার বা অনুভব করার উপন্যাস। যা সত্যই আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে আমাদেরই অগোচরে।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। ঘরে বসেই বইপোকায় অর্ডার করুন।