‘আন্তর্জাতিক রাজনীতি ১’ — মেহেদী হাসান-এর কলমে আন্তর্জাতিক বিষয়ক প্রবন্ধ। অনার্য পাবলিকেশন্স-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ২১৬ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2023।
ন্যাটো একটি সামরিক জোট। এর নাম North Atlantic Treaty Organisation (NATO)। ন্যাটো এখন আর উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর সীমানা কৃষ্ণসাগরের পাড় পর্যন্ত চলে এসেছে। ১৯৪৮ সালের ৪ টা এপ্রিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণ ও এর সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলায় ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু সেই সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৯১ সালে ভেঙে যায়। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে।
সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত যে সমস্ত রাষ্ট্র ছিল তার অধিকাংশই বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য। ন্যাটোর জন্য কোন হুমকি না থাকলেও আমেরকা কৃত্রিম হুমকি বানিয়ে নিয়ে ন্যাটোকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করে। ন্যাটো হচ্ছে বিশ্ব রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করার আমেরিকার মাধ্যম। জর্জ ডব্লিউ বুশ ২০০৮ সালে বােেলছল ইউক্রেন ও জর্জিয়া ন্যাটোর সদস্য হওয়ার উপযুক্ত হয়ে উঠছে। এর পরই রাশিয়া জর্জিয়া আক্রমণ করে ওসেটিয়া ও আবখাজিয়া দখল করে নেয়। বিশ্বের অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র রাশিয়া। তার সীমান্তের লাটভিয়া, এন্তোনিয়া ও নরওয়ে ন্যাটোর সদস্য দেশ। আমেরিকার প্রচ্ছন্ন মদদে ইউক্রেনও ন্যাটোর সদস্য হতে চায়। অথচ ইউক্রেনের সাথে রাশিয়ার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ফিনল্যান্ডের সাথে রাশিয়ার দীর্ঘ সীমান্ত। সেই ফিনল্যান্ড রাশিয়া ইউক্রেন হামলা করার পর ন্যয়োটোর সদস্য হওয়ার জন্য
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।