‘সুজান ফ্লেচারের ইভ গ্রীন’ বইটির লেখক সাগুফতা শারমীন তানিয়া; এটি একটি অনুবাদ উপন্যাস। প্রকাশনার দায়িত্বে আদর্শ। বইটিতে আছে ২০৭ পৃষ্ঠা, সংস্করণ: 1st, 2015।
অদ্ভূত এক অকালপ্রয়াত মায়ের কাছ থেকে ইভাঞ্জেলীন চলে আসে পুরনো গীর্জাগন্ধী ধুলোভরা একখানা বাড়িতে, ওয়েলসে তার নানাবাড়িতে, সেখানকার ফার্মে উদ্গ্রীব প্রাণীদের ভাপমেশা শ্বাসের সুকোমল গন্ধ শুঁকে, কর্মব্যস্ত নানীর পেটের একচিলতে মন্ডাকার মেদ দেখতে দেখতে, নানার সাথে চিনিভরা মালাই চা খেতে খেতে, খামারবাড়ি আর মালখানার ভিতরবাইরে লুকোচুরি খেলতে খেলতে শৈশব কাটাতে থাকে সে। সে কেবল বুঝতে পারে, তার আইরিশ বাবাকে নিয়ে গ্রামে একটা কানাঘুষা আছে (অনেককাল আগে কোনো এক গ্রীষ্মে এই আইরিশ যুবক উত্তর ওয়েলসের এই গ্রামে আসে- নির্মল দেখনহাসি তার মুখে, অথচ নিয়ম ভাঙতে সদাপ্রস্তুত), সে বুঝতে পারে তার পরমা সুন্দরী মা কুমারী অবস্থায় প্রবল প্রেমে পড়েছিল এই যাযাবর মনের মানুষটির, লোকটা কাউকে না জানিয়ে যেমন এসেছিল তেমনি চলে গেছে একদিন- ইভাঞ্জেলীনের মা বুকের ভিতর পেটের ভিতর স্বর্ণকমলের চিহ্নের মতন বহন করেছে ভালবাসার স্মারক, একটি ছোট্ট মেয়ে- ইভাঞ্জেলীন গ্রীন। একসময় তার মায়ের ক্লান্ত হৃদয় আর পারে নাই।
ইভকে চলে আসতে হয় নানীর কাছে। সেখানে বদ্ধ সমাজে উন্মুক্ত প্রান্তরে বহুকিছু ঘটে যা ইভ তার শিশুর দৃষ্টি নিয়ে দ্যাখে, ধাঁধার জটিলতা খুলতে চায়, পারে না, গ্রাম থেকে একটি রূপসী অল্পবয়েসী মেয়ে হারিয়ে যায় চিরতরে। পিডোফিলের হাতছানি টের পায় ইভ। আজীবন ইভ সেই মর্মপীড়া থেকে বেরুতে পারে না।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। ঘরে বসেই বইপোকায় অর্ডার করুন।