লেখক জিল্লুর রহমান-এর ‘প্রিয়ন্তী’ পাঠকের সামনে এসেছে সমকালীন উপন্যাস হিসেবে। প্রকাশক মিজান পাবলিশার্স। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে সংস্করণ: 1st, 2010 নিয়ে।
প্রিয়ন্তীর সঙ্গে সুশান্তর বিয়ে হয়েছে তিনবার। একই বর-কনে তিনবার বিয়ের বিষয়টি অনেকের মনে কৌতুহলের সৃষ্টি করলো, কারো অবিশ্বাস্য মনে হলো, কারো কারো মনে হাস্য রসের সৃষ্টি করলো, কারো কারো হৃদয়কে আহত করলো। কিন' একই বর-কনের মধ্যে তিনবার বিয়ে হবে কেনো? এই কেনো-এর উত্তর দিতে গেলে সমাজের যে অসঙ্গতি ফুটে উঠবে তা অনেকের বিবেককে দংশন করবে আর পরের ঘটনাগুলো মানুষের হৃদয়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করবে।
প্রথমবার প্রিয়ন্তীর সঙ্গে সুশান্তর বিয়ে হলো কোনো রকম আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই, একেবারে আবেগের বশে। এ বিয়ের না থাকলো কোনো সাক্ষী, না থাকলো সামাজিক কিংবা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। দ্বিতীয়বার দু’জনে বিয়ে করলো এ্যাফিডেভিট করে, বিয়ের পর তারা দু’জনে উঠলো একটি আবাসিক হোটেলে। প্রিয়ন্তী চক্রবর্তী আর সুশান্ত দত্ত। এই বর্ণ বৈষম্যই তাদের ভালোবাসার এবং ঘর বাঁধার প্রধান বাধা। আর এই বাধাই তারা বার বার অতিক্রম করতে চেয়েছে। প্রথমবার কার্তিক মাসে মন্দিরে ঠাকুর সাক্ষী রেখে বিয়ে করে এবং দ্বিতীয়বার কোর্টে এ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে করে। কোর্টে এ্যাফিডেভিট করে তারা যখন আবাসিক হোটেলেই বাসররাত যাপনের জন্য সিট বুকিং দিলো তখন সামনে উপসি'ত হলো আরেক বিপদ। রাতেই তাদের দু’জনকে পুলিশ থানায় ধরে নিয়ে গেলো। পরে অবশ্য এ্যাফিডেভিটের কাগজ দেখিয়ে তারা থানা থেকে মুক্তি পেলো।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। বইপোকায় এখনই সংগ্রহ করুন।