সমকালীন উপন্যাস হিসেবে ‘দাগ’ লিখেছেন জিল্লুর রহমান। প্রকাশক মিজান পাবলিশার্স। সব মিলিয়ে সংস্করণ: 1st, 2009।
উর্মী কিছুটা দুশ্চিন্তায় পড়লো তার জীবনে একটা বড় দুর্ঘটনা ঘটে যাবার পর সে নিজেকে লুকিয়ে রাখার জন্য অ্যাফিডেভিড করে নিজের নাম পরিবর্তন করেছে, পরিচিত বন্ধু-বান্ধব সবার কাছ থেকে নিজেকে লুকিয়ে রাখার প্রায় সবরকম চেষ্টাই করেছে, এতদিন নিজেকে লুকাতেও পেরেছে কিন' আজ বোধ হয় আর নিজেকে লুকানো হলো না। উর্মী নিজের কাছে সান্ত্বনা খুঁজে বের করার চেষ্টা করলো, আমি তো বোরকা পরে আছি আমার শুধুমাত্র চোখ দু’টা দেখতে পাবে, শুধুমাত্র চোখ দেখে কী বারো বছর আগে কোনো মেয়েকে কেউ চিনতে পারবে? না, না, তা পারবে না কিন' আমার কন্ঠস্বর? আমি আমার কন্ঠস্বর লুকাবো কী করে? মেয়েটি বোরকা পরে ছিলো। তাকে চেনার কোনো উপায় ছিলো না। কিন' তার কন্ঠস্বরটা শুভ্র’র খুব পরিচিত বলে মনে হচ্ছিলো। শুভ্র মনে মনে বললো, মেয়েটি বললো নাম উর্মী কিন' কন্ঠস্বরটা একেবারে মায়ার মতো?
চাকরিতে প্রথম দিন জয়েন করতে এসে এভাবেই উর্মী আর শুভ্র মুখোমুখি হয়।
কাজের ফাঁকে ফাঁকে দু’জনে কথাবার্তা হয়। বেশিরভাগ সময় শুভ্র উর্মীর পরিচয় নিশ্চিত হয় আবার মাঝে মাঝে বিভ্রান্ত হয়।
কাজের অবসরে বা নিঃসঙ্গতায় উর্মীর তার অতীতের কথা মনে পড়ে।
মায়া উচ্চবিত্ত পরিবারের একমাত্র আদুরে কন্যা। চঞ্চল, সারাদিন হৈ চৈ করে ঘুরে বেড়ানো, আবেগপ্রবণ, জেদী এবং গেছো টাইপের মেয়ে মায়া। মামুনের সঙ্গে কবে কোথায় প্রথম পরিচয় হয়েছিলো তা মনে নেই।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। বইপোকা থেকে অর্ডার করুন।