‘পল্লী সমাজ’ বইটির লেখক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়; এটি একটি চিরায়ত উপন্যাস। প্রকাশনার দায়িত্বে বাংলাপ্রকাশ। এর কলেবর ১৩৬ পৃষ্ঠা, সংস্করণ: 1st Edition, 2025।
উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ভারতবর্ষ পত্রিকায় ১৯১৫ সালে। লেখক উপন্যাসে সকল অনাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে উপন্যাসের নায়ক রমেশকে সচেতন যুবক এবং দ্রোহ ও বিপ্লবের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। ফলে ঐ সময়ে উপন্যাসটি সাড়া ফেলে এবং সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। সে সময়ে বিভিন্ন শ্রমিকশ্রেণির সামাজিক আন্দোলনের ইশতেহার রূপে কর্মীদের মাঝে উপন্যাসটির কিছু কিছু অংশ হাতে লিখিত আকারে প্রচারিত হয়। অতঃপর উপন্যাসটি ১৯১৬ সালে মানে এখন থেকে প্রায় ১১০ বছর পূর্বে পুস্তক আকারে প্রকাশিত হয়। সে সময়ে বাংলার তথা পল্লী-সমাজের অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। আর কৃষি ছিল জমিদারনির্ভর। সে সময়ে জমির মালিক ছিল জমিদার। জমিদাররা ছিল সম্ভ্রান্ত পরিবার। বাদবাকি চাষাভুষারা ছিলেন প্রজা। তারা জমিদারের জমি বর্গাচাষ করতেন।
সেরকম দুইটি জমিদার পরিবারের পারিবারিক কলহের জের ধরে উপন্যাসের যাত্রা শুরু হয়। দুই জমিদার পরিবারের একটি পরিবার মহাকুলীন বলরাম মুখুজ্যের ছেলে যদু মুখুজ্যের মেয়ে রমা। অন্য পরিবারটি হলো বলরাম মুখুজ্যের মিতা বলরাম ঘোষাল পরিবারের রমেশ এবং বেণী মাদব ঘোষাল। বলরাম মুখুজ্যে শুধু কুলীন ছিলেন না, তিনি ছিলেন অনেক বুদ্ধিমান এবং বর্ধমান রাজ সরকারের চাকুরিজীবী। সেই সুবাদে তিনি বর্ধমান সরকারের কাছে কুঁয়াপুরের জমিদারী লিখে নেন এবং বলরাম মুখুজ্যে তার মিতা বলরাম ঘোষালকে নিয়ে বিক্রমপুর থেকে এই গ্রামে আসেন। গ্রামটির নাম কুঁয়াপুর।
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। আজই বইপোকা থেকে অর্ডার দিন।