"ওগো বিদেশিনি" বইয়ের পিছনের কভারের লেখা: শরীফকে ভালোবেসে কেনিয়ার মেয়ে ডরিস কুন্ডা উড়ে এলো বাংলাদেশে। এসে জানলো শরীফ বিবাহিত। তদুপরি শরীফ যখন ডরিসকে চিনতেই পারলো না তখন তার পায়ের নিচের মাটি যেন সরে গেল। সবকিছু ছেড়ে চলে এসেছে সে, কেনিয়া ফিরে যাবার কোনো উপায় নেই আর, বাড়ির মুরুব্বিদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অসহায় ডরিস থেকে গেল শরীফদের বাড়িতেই। নাতাশার সাথে বাইরে বের হয়ে হলো ইভটিজিং এর শিকার। রাগে-ক্ষোভে-ঘৃণায় ইভটিজিং এর বিরুদ্ধে গড়ে তুললো প্রতিরোধ। তৈরি করলো ফেসবুক পেজ ইভটিজারস অব বাংলাদেশ। পেজটি সারা দেশে বিপুল সাড়া ফেলে দিল। একসময় তাকে কিডন্যাপ করা হল। সে কি কিডন্যাগারদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছিল, তার প্রেমিককে কি সে ফিরে পেয়েছিল অবশেষে এসব প্রশ্নের উত্তর দিবে উপন্যাস ওগো বিদেশিনি। এক নিঃশ্বাসে পড়ার মতো শ্বাসরুদ্ধকর বিচিত্র ভিন্ন আঙ্গিকের উপন্যাস ওগো বিদেশিনি।