‘মংপুতে রবীন্দ্রনাথ’ বইটির লেখক মৈত্রেয়ী দেবী। মুক্তধারা-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। এর কলেবর ২৫৬ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: ৩য় সংস্করণ, ২০২৪।
ফ্ল্যাপে লিখা কথা
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আজীবন ঘুরে বেড়িয়েছেন দেশ থেকে দেশান্তরে। কখনও নিজের কথায় আবার কখনও তাঁর কাছের মানুষের স্মৃতিচারণায় কবির ভ্রমণকাহিনী বিভিন্ন ভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে। ‘মংপুতে রবীন্দ্রনাথ’ এ ধরনেরই একটি রচনা। পর্যটন কেন্দ্র দার্জিলিংয়ের মংপু কবিগুরুর অবকাশ যাপনের অন্যতম পছন্দের একটি জায়গা। বিভিন্ন সময়ে তিনি এখানে এসেছেন। জীবনের প্রায় শেষ সময়েও ভ্রমণের জন্য তিনি মংপুতেই যেতে চেয়েছিলেন। মৈত্রেয়ী দেবীর সাথে কারি পরিচয় দীর্ঘদিনের। তাঁর জীবনের প্রথম কবিতার বইয়ে কবি সানন্দে ভূমিকা লিখে দিয়েছিলেন মংপুতে কবির অবকাশ যাপনের দিনগুলিতে মৈত্রেয়ী দেবী ছিলেন তাঁর অন্যতম কাছের মানুষ। বলতে গেলে মৈত্রেয়ী দেবীর আতিথ্যেই মংপুতে কেটেছিল কবির দীর্ঘ অবকাশকাল। কবির সাহচর্যের সুখানুভূতির সেই দিনগুলোর কথামালা, মৈত্রেয়ী দেবী এ গ্রন্থে তুলে ধরেছেন। তাঁর অসাধারণ রচনাশৈলীতে মংপুতে কবির অবস্থানের ঘটনাগুলি হয়েছে সরস ও প্রাণবন্ত। এই বইটি পড়ে পাঠক অন্য এক রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে পরিচিত হবেন-যিনি শুধু কবি নন, অনন্য এক মানুষ।
১৯৩৮ এর ২১ শে মে পূজনীয় গুরুদেব প্রথমবার কালিমপং থেকে মংপু এসছিলেন। ৯ জুন পর্যন্ত এখানে কাটিয়ে আবার কালিমপং ফিরে যান। দ্বিতয়িবার ১৯৩৯ এর ১৪ মে পুরী থেকে মংপু এসে গ্রীষ্মাবকাশটি কাটিয়ে ১৭ই জুন নাগাদ কলকাতায় নেমে গেলেন।
বইপ্রেমী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। বইপোকা থেকে অর্ডার করুন।