শওকত ওসি হওয়া সত্ত্বেও তেমন একটা ঝামেলার সময় পার করছে না। একদিন সন্ধ্যায় নিজের বাসায় বসে আছে সে। সময় কাটছে অলস ভাবে। এমন সময় তার অলসতাকে ব্যস্ততায় বদলে দিতে একটা মেসেজ এলো মোবাইলে। সাংকেতিক ভাষায় লেখা সেই মেসেজ দেখে নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হল সে। এক সোর্সের কাছ থেকে খোঁজ পাওয়া গেলো ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের ত্রাস নওশাদের। তিন বছর ধরে তার কোন নড়াচড়া ছিল না। সবাই ভেবেছে শত্রুপক্ষের হাতে মারা গেছে সে। কিন্তু ভাবনাটা ভুল ছিল। সোর্সের কথা অনুযায়ী রেইড দিলো শওকত। ধরা পড়লো নওশাদ। তাকে নিয়ে আসা হল থানায়। ইন্টারোগেশন শুরু হতেই শওকত বুঝতে পারলো, বিষয়টা যতো সহজ ভেবেছিলো ততটা সহজ নয়। সে ফাঁদে আটকে গেছে। তারপর শুরু হল ছুট। ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড তোলপাড় হয়ে গেলো। বহু আগের ক্ষত কেউ যেন খুঁচিয়ে দিতে সচেষ্ট হয়েছে। সত্য আর মিথ্যার মিশ্রণে সঠিক পথ খুঁজে বের করা সহজ নয়। কিন্তু, পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, বেড়াল আর ইঁদুরের লড়াইয়ে বেড়াল সবসময় না জিতলেও, কখনো হারে না, আবার ইঁদুর সবসময় না হারলেও, কখনো জেতে না।