রহস্য, গোয়েন্দা, থ্রিলার, ভৌতিক, সায়েন্স ফিকশন ও অ্যাডভেঞ্চার
দেশ
Bangladesh
প্রকাশকাল
মে 2020
রহস্য ও গোয়েন্দা বিষয়ক বই হিসেবে ‘গিলগামেশ’ লিখেছেন জাহিদ হোসেন। বাতিঘর প্রকাশনী-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। এর কলেবর ৪৬৪ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2020।
যা চলে গেছে তা কী আর কখনো ফিরে আসে?
ছোটবেলায় এক মনোবিকারগ্রস্ত লোকের পাল্লায় পড়েছিল মোবাইল দোকানি বাপ্পা। ওর চোখের সামনে মট করে পরপর তিনটা বিড়ালের ঘাড় ভেঙ্গে ফেলেছিল লোকটা। তারপর দক্ষ শল্যবিদের মতো একটা একটা করে ঘাড়ভাঙ্গা বিড়ালের চোখগুলো উপড়ে নেয় ও। সেখান থেকে দুটো চোখ আলাদা করে। তারপর নিজের চোখের ওপর রেখে বলতে থাকে, ‘বিড়াল চক্ষু’, ‘বিড়াল চক্ষু’, ‘বিড়াল চক্ষু’। বাসায় ফিরে উথালপাতাল জ্বরে কাতর হয়ে যায় বাপ্পা। পরদিন বিড়ালের দুইটা ড্যাবডেবে চোখ এসে হাজির হয় বাপ্পাদের দোরগোড়ায়। ওইদিনই দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে বাপ্পার বড়ভাই বিকাশ। অনেক ডাক্তার-কবিরাজ করা হয়েছিল, কিন্তু লাভ হয়নি। বিকাশের চোখের দৃষ্টি ফেরেনি। এক হুজুর জানান, বিকাশ এমন একটা কিছু নেয়ার চেষ্টা করেছিল যা ওর না। এজন্যই ওর এই অবস্থা।
থানা শহর রণকেলীর ওপর দিয়ে বয়ে চলা নদীটির নাম কাপুত। কাপুত মানে হলো ফিনিশড। কাপুতের আরেকটা অর্থ আছে। ল্যাটিন ভাষা মোতাবেক কাপুত মানে হলো মাথা। কথিত আছে কাপুতে নাকি একসময় নরবলী হতো। নদীর তলদেশে এখনো কঙ্কাল, মানুষের মাথার খুলি মিলে। মিলে জং ধরা গিলোটিন। কাপুত নদীর ওপর সেতু বানানো হচ্ছে। এই ডামাডোলের মাঝে পরপর ছয়জন বাচ্চার খন্ডিত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। লাশগুলোর কপালের ঠিক নিচে, দুই চোখ যেখানে ছিল সেখানে দুইটা গোল চাকতির মতো গর্ত।
চোখের বদলে নিকষ কালো আঁধার ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে...
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। বইপোকা থেকে অর্ডার করুন।