‘দুধ চা খেয়ে তোকে গুলি করে দেব’ বইটির লেখক জাহিদ হোসেন; এটি একটি থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার গল্প। প্রকাশক বাতিঘর প্রকাশনী। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ২৫৬ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2019 নিয়ে।
“দুধ চা খেয়ে তোকে গুলি করে দেব” বইয়ের পিছনের কভারের লেখা: মন মেজাজ ভালাে থাকলে মােড়ের চা-দোকানি মান্নান মিয়া গল্প জুড়ে দেয়। গল্পটা এই মান্নান মিয়ার কাছ থেকেই শােনা। অনেক অনেক দিন আগের কথা,দুর্গম অরণ্যে এক দয়ালু সন্ত বাস করতেন। উনি ছিলেন এক ধন্বন্তরি চিকিৎসক। যে কোন রােগ সারাতে পারতেন। অসুস্থ কেউ উনার কাছে এসে খালি হাতে ফিরে যেত না। কিন্তু একটা জিনিস উনি সারাতে পারতেন না,সেটা হলাে মৃত্যু। মানুষের মরণশীলতা তাকে পীড়িত করতাে,ব্যথিত করতাে। জানতেন,মত্যর কাছে সবাই অসহায়। এক রহস্যময় গাছ খুঁজে পান তিনি। সন্তের মতে,গাছটি সহস্রাব্দ-প্রাচীন। মানবজাতির অভ্যুদয়ের আগে থেকেই আছে। কিন্তু কী সেই রহস্যময় গাছের মাহাত্ম? ঢাকা শহর জুড়ে কে জানি মানুষ খুন করে দেয়ালে এ্যাফিত্তি এঁকে যাচ্ছে-দুধ চা খেয়ে তােকে গুলি করে দেব। পত্রপত্রিকা উদ্ভট এক লেবেল সেঁটে দেয় খুনির-দুধ চা কিলার। পুলিশের সিনিয়র গােয়েন্দা রফিকুল ইসলামের কাছে খুনগুলাে এক বিরাট রহস্য। কে এই খুনি? কী চায় সে? এই দুর্বোধ্য এ্যাফিত্তির মানেই বা কী? বিদগ্ধ পন্ডিত ড. মেহবুব আরেফীন চৌধুরী হইচই ফেলে দেন দ্য ইকোনমিস্ট-এ চা বিষয়ক একটি আর্টিকেল লিখে-দ্য টি অব শ্যানং। সবার ধারণা ডক্টরের কাছে বিশাল এক রহস্যের চাবি আছে। চাবি নাও,খুলে যাবে অফুরন্ত সম্পদের ভান্ডার!
বিশেষ করে সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি কাজে লাগবে। বইপোকার সংগ্রহে বইটি রয়েছে।