‘ডেড জ্বিন ইউনিভার্স’ পি. জেলি ক্লার্ক-এর লেখা সায়েন্স ফিকশন ও ফ্যান্টাসি বিষয়ক বই। ভাষান্তরে ছিলেন উচ্ছ্বাস তৌসিফ। প্রকাশক শিরোনাম প্রকাশন। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ১৭৬ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই নিয়ে।
আ ডেড জিন ইন কায়রো
হঠাৎ এক জিনের লাশ পাওয়া গেল। এই রহস্যরহস্যের তদন্তের ভার চাপল ফাতেমা আল-শারাইভীর কাঁধে। মেয়েটি ‘মিনিস্ট্রি অব অ্যালকেমি, এনচ্যান্টমেন্টস অ্যান্ড সুপারন্যাচারাল এন্টিটিজ'-এর স্পেশাল ইনভেস্টিগেটর।
এই মৃত্যু ওকে টেনে নিয়ে গেল শহরের অন্ধকার অলিগলিতে। সাধারণ এক কেসের সূত্র ধরে ওকে মোকাবেলা করতে হলো উন্মত্ত ভূত, চতুর ঘাতক আর যান্ত্রিক ফেরেশতাদের—উন্মোচিত হলো এমন এক ষড়যন্ত্র, যা খোদ সময়ের অস্তিত্বকেই তছনছ করে দিতে পারে!
দ্য অ্যাঞ্জেল অব খান আল-খালিলি
রাতের বেলা কায়রোর রূপ বদলে যায়, কিন্তু প্রাণের স্পন্দন কমে না। খান আল-খালিলির বাজারে নানারকম দোকান বসে। সেই বাজারে এক ‘ফেরেশতা'র কাছে ‘মিরাকল' চাইতে গেল মেয়েটি, আর মুখোমুখি হলো এমন এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতার, যে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে কেউই চাইবে না।
দ্য হন্টিং অব ট্রাম ৩১৫
একটি ট্রামে আছর হয়েছে। আছর করা জিনিসটা যখন এক যাত্রীর ওপর হামলা করল, ডাক পড়ল এজেন্ট হামিদ ও আসির।
ওরা ভেবেছিল, সাধারণ এক জিন। কিন্তু জিন তাড়াতে গিয়ে খাওয়া থেকে পালাতে বাধ্য হলো ওরা। সিক্রেট সোসাইটি, গোপন আচার, সচেতনশীল যন্ত্রমানব এবং কিংবদন্তীর প্রেতাত্মা—দিশেহারা দুই এজেন্ট টের পেল, কায়রো শহরের হাজারো মানুষ আজ ঝুঁকির মুখে।
ওরা কি পারবে এ শহরকে বাঁচাতে?
সায়েন্স ফিকশন ও ফ্যান্টাসি-এ আগ্রহী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।