‘Banda's RannaGhor’ বইটির লেখক মহিউদ্দিন আবদুল আহাদ; এটি একটি রেসিপি বিষয়ক বই। অনন্যা থেকে প্রকাশিত। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে সংস্করণ: 1st Published, 2023 নিয়ে।
ছোটবেলা থেকেই আমার ভালো খাবারের প্রতি আগ্রহ ছিল ভুল জীবন থেকেই ছোটখাটো রান্নার হাতে খড়ি। ভুল থেকে ফিরে এসে পছন্দের কিছু বানিয়ে খাওয়ার ইচ্ছে বা অভ্যাস তখন থেকেই। কোনদিন হালুয়া,কোনদিন ডিমভাজি পরোটা ইত্যাদি বানানো অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছিল। পরবর্তীতে ঢাকায় পড়তে আসবার পর কিছুদিন এর ভাটা পরেছিল। কারন হোষ্টেল জীবনে থাকা খাওয়ার জন্য,অতিরিক্ত পড়ার চাপ এবং ছাত্র-রাজনীতিতে স্বক্রীয়ভাবে অংশ গ্রহন করার। কারনে অন্যকিছু চিন্তা করার অবকাশই ছিল না। সুদূর মেলবোর্নে পাড়ি দেয়ার পর অবিবাহিত জীবন কাটাবার সময় এবং মেলবোর্নে অল্প-সংখ্যক বাংলাদেশী ছিল বলে নূতন করে আবার দেশী খাবার রান্না করার চর্চা’র বিকল্প ছিল না। সে সময় আস্তে আস্তে বিভিন্ন রকম খাবার তৈরী করার ইচ্ছা ও প্রয়োজনে নূতন করে নিজের রান্না’র আগ্রহটা আবার তৈরী হ’লো । নিজের অজান্তেই শুরু হলো – বিরিয়ানী,মুরগীর রেজালা,মাছভাজি,পরোটা ইত্যাদি ইত্যাদি। ভোজন রসিক ব’লে কথা বিবাহীত জীবনে পা দেয়ার পরে প্রায় দুই দশক আমার রান্নায় ভাটা পরেছিল। গিন্নী’র সুন্দর সুন্দর সুস্বাদু রান্নার সাথে পাল্লা দেয়ার কথা কখনও মনে হয়নি। গত দশবছর ধরে আবার নূতন করে। রান্নায় পদার্পন – সব সময় মনে হতো গিন্নীর সাথে একটু হাত লাগাই। দু একটা রান্নার পদ যোগ করি। তখন থেকেই রান্নার স্পৃহাটা পুনরজ্জিবিত হতে শুরু করলো। প্রথমে রবিবারের ইলিশমা ভাজি,ফাজিলের ঘাটের মাছের ভর্তা (চাসনি)।
রেসিপি-এ আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।