‘এ টেল অব টু সিটিজ’ চার্লস ডিকেন্স-এর লেখা ঐতিহাসিক উপন্যাস। অনুবাদক নিতাইচন্দ্র পাল। বইটি প্রকাশ করেছে ঝিনুক প্রকাশনী। বইটিতে আছে হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Edition, 2023।
১৮১২ সালে চার্লস ডিকেন্সের জন্ম ইংল্যান্ডে। অভাবগ্রস্ত এক সরকারি কেরানির আট সন্তানের মধ্যে তিনি দ্বিতীয় ছিলেন। সংসারে অভাব থাকায় শৈশবেই জীবন সংগ্রামে নামতে হয় তাঁকে। মাত্র দশ বছর বয়সে তিনি লন্ডনের এক কারখানায় কাজ করতে যান। কর্মজীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা বিরাট প্রভাব ফেলে তাঁর মনে। এজন্য পরবর্তী সময়ে ডিকেন্সের লেখা অনেক উপন্যাসে দুর্ভোগ পোহানো কপর্দকহীনরা হয়ে উঠে কাহিনির নায়ক এবং স্বার্থপর নিষ্ঠুর ধনীদের দেখা যায় ভিলেন হিসেবে।
অপ্রত্যাশিতভাবে কিছু ধনসম্পদ পাওয়ার ফলে ভাগ্য পরিবর্তন হয়ে যায় চার্লস ডিকেন্সের। কারখানার দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়ে ফিরে আসেন স্কুলে। পরবর্তী সময়ে তিনি সংবাদপত্রের রিপোর্টার হন। পেশাগত জীবনে একজন সাংবাদিক হিসেবে তাঁর মানুষকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়। ফলে পাঠকদের মানসপটে বাস করা চিরচেনা চরিত্র ও কাহিনি জীবন্ত হয়ে উঠে ডিকেন্সের লেখালেখিতে।
১৮৩৬ থেকে ১৮৩৭ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয় তাঁর 'দ্য পিকউইক পেপার্স' বইটি। ডিকেন্সের বয়স তখন মাত্র ২৪। এ উপন্যাস তাঁকে জনপ্রিয়তার বিস্তৃতি ঘটে 'ডেভিড কপারফিল্ড', 'অলিভার টুইস্ট', 'এ ক্রিসমাস ক্যাবল', 'গ্রেট এক্সপেকটেশনস', 'এ টেল অভ টু সিটিজ' বইগুলো প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে।
রাজনীতি ও সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের দিকে গভীর আগ্রহ ছিল ডিকেন্সের। তিনি তাঁর এই আগ্রহকে কাজে লাগান 'এ টেল অভ টু সিটিজ' উপন্যাসটি লেখতে গিয়ে।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। বইপোকা থেকে অর্ডার করুন।