0টি পণ্য পাওয়া গেছে
কোনো পণ্য পাওয়া যায়নি।
ব্যাগের তলায় গড়াগড়ি খাওয়া কলম, ভেঙে যাওয়া পেনসিলের শিস আর কালি লেগে যাওয়া খাতা—এই ঝামেলা একটা ছোট কেস দিয়েই মিটে যায়। ব্যাগ ও অ্যাকসেসরিজ তালিকার এই পেন্সিল কেস উপবিভাগে ব্যাগের সঙ্গী হিসেবে ব্যবহারের নরম ও আধা-শক্ত কেসগুলো রাখা হয়।
এখানে থাকে এক-চেম্বারের সরু জিপার পাউচ, বই-এর মতো খুলে যায় এমন দুই-স্তরের কেস, ভেতরে ইলাস্টিক ব্যান্ডে কলম আটকে রাখার অর্গানাইজার ধরন, দাঁড় করিয়ে রাখা যায় এমন স্ট্যান্ড-আপ কেস এবং হেডফোন ও চার্জারও রাখা যায় এমন বড় মুখের টেক পাউচ। ক্যানভাস, নাইলন, ফেল্ট ও কৃত্রিম চামড়ার এই কেসগুলো ব্যাকপ্যাকের সামনের পকেটে বা হ্যান্ডব্যাগের ভেতরে সহজে ঢুকে যায়, তাই স্কুলের বাইরে বিশ্ববিদ্যালয় ও অফিসের ডেস্কেও এগুলো সমান কাজে লাগে।
কয়টা কলম-পেনসিল রোজ সঙ্গে থাকে, সেই সংখ্যাই বলে দেবে কোন কেসটি আপনার।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ডেস্কে গোছানো থাকতে ভালোবাসেন যে পেশাজীবী, কিংবা স্কেচবুকের সঙ্গে কলম বহন করেন যে শিল্পী—প্রত্যেকের ব্যাগের ভেতরের ছোট সমাধান হিসেবে পেন্সিল কেস সাজিয়ে রাখে বইপোকা।
বিশ্ববিদ্যালয় বা অফিসে ব্যবহারের জন্য নিরপেক্ষ রঙের ক্যানভাস, ফেল্ট বা কৃত্রিম চামড়ার সরু জিপার পাউচ সবচেয়ে মানানসই—এটি হ্যান্ডব্যাগ বা ল্যাপটপ ব্যাগে সহজে ঢোকে। কলমের সংখ্যা বেশি হলে ইলাস্টিক ব্যান্ডওয়ালা খোলা কেস কাজে আসে, কারণ প্রতিটি কলম আলাদা দেখা যায়।
কাপড়ের কেস হলে দাগের জায়গায় অল্প তরল সাবান দিয়ে নরম ব্রাশে ঘষে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ছায়ায় শুকান। কৃত্রিম চামড়া ভেজা কাপড়ে মুছে নিলেই চলে। ভেতরে পানিরোধী লাইনিং থাকলে কালি সাধারণত বাইরে ছড়ায় না, তাই কেস কেনার সময় লাইনিং দেখে নেওয়া সবচেয়ে সহজ সমাধান।
প্রথমে দেখুন ব্যাকপ্যাকের কোন পকেটে কেসটি রাখবেন—সামনের ছোট পকেট হলে সরু পাউচ, মূল চেম্বারে রাখলে দুই-স্তরের বড় কেসও চলে। রং ও উপকরণ এক ধাঁচের হলে দেখতে গোছানো লাগে। কেসের একটি দিকে লুপ বা হুক থাকলে ব্যাগের ভেতরের ক্লিপে আটকে রাখা যায়, তলায় হারায় না।