4টি বই পাওয়া গেছে
একাত্তরের যুদ্ধ সারা দেশে এক রকম ছিল না। এক জেলায় যখন সম্মুখসমর, অন্যখানে তখন গেরিলা অভিযান কিংবা সাংগঠনিক প্রস্তুতি। এই ভিন্নতা ধরতে হলে জেলা ধরে ধরে, সেক্টর ধরে ধরে লেখা বই পড়া দরকার—এই বিভাগে ঠিক সেই ধরনের কাজগুলোই রাখা হয়েছে।
তালিকায় থাকে এগারোটি সেক্টরের সংগঠন, নেতৃত্ব ও অভিযানের বিবরণ, নির্দিষ্ট জেলা বা মহকুমার প্রতিরোধযুদ্ধের ইতিহাস, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা বাহিনীর গঠন, নদীপথ ও সীমান্ত এলাকার ভূমিকা, বধ্যভূমি ও গণকবরের অনুসন্ধান এবং এলাকাভিত্তিক শহীদ ও বীরত্বগাথার সংকলন। অনেক বইয়ে মানচিত্র, তালিকা ও স্থানীয় সাক্ষ্য যুক্ত থাকায় ঘটনাগুলোর ভৌগোলিক ছবি স্পষ্ট হয়।
নিজের এলাকার যুদ্ধ-ইতিহাস খুঁজতে যা দেখবেন
স্থানীয় ইতিহাসে আগ্রহী পাঠক, শিক্ষক ও তরুণ গবেষকদের কথা ভেবে বইপোকা এই সেক্টরভিত্তিক সংগ্রহটি আলাদা করে রেখেছে।
সেক্টরভিত্তিক বইয়ে সংগঠন কাঠামো, নেতৃত্ব, প্রশিক্ষণ ও অভিযানের পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে আসে। ফলে বোঝা যায় যুদ্ধটি কীভাবে পরিচালিত হয়েছিল, কোন এলাকায় কী ধরনের কৌশল নেওয়া হয়েছিল এবং স্থানীয় ভূগোল সেই সিদ্ধান্তে কতটা প্রভাব ফেলেছিল।
সংশ্লিষ্ট সেক্টরের ইতিহাসগ্রন্থে সাধারণত অন্তর্ভুক্ত জেলা ও মহকুমাগুলোর ঘটনা আলাদা অধ্যায়ে থাকে। এ ছাড়া বৃহত্তর জেলা নামে লেখা পুরোনো বইয়েও বর্তমান একাধিক জেলার বিবরণ একসঙ্গে পাওয়া যায়, তাই পুরোনো নাম ধরে খোঁজা কার্যকর।
যায়, বিশেষ করে স্থানীয় ইতিহাসভিত্তিক প্রকল্পে। এলাকার প্রতিরোধ, বধ্যভূমি বা শহীদদের তালিকা নিয়ে কাজ করতে চাইলে এই ধরনের বই মূল উপাদান দেয়। সূত্র উল্লেখ করা আছে কি না দেখে নিলে প্রতিবেদনটি আরও নির্ভরযোগ্য হয়।