5টি বই পাওয়া গেছে
খামার শুরু করা কঠিন নয়, কঠিন হলো টিকিয়ে রাখা। পানির গুণ, খাদ্যের হিসাব, রোগবালাই আর সময়মতো সিদ্ধান্ত—এসবের ওপরই সাফল্য নির্ভর করে। মৎস্য, পোলট্রি ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক বইগুলো এই হিসাবগুলো গুছিয়ে দেয়। নতুন উদ্যোক্তা, অভিজ্ঞ খামারি, মৎস্য ও ভেটেরিনারি শিক্ষার্থী এবং সম্প্রসারণ কর্মী—সবাই এখানে প্রয়োজনের বই পান।
এখানে পাওয়া যায় পুকুর প্রস্তুতি ও পানির গুণাগুণ ব্যবস্থাপনা, কার্প ও মিশ্র মাছ চাষ, পাঙাশ, তেলাপিয়া ও দেশি মাছের চাষপদ্ধতি, মাছের খাদ্য ও রোগ দমন, হ্যাচারি ও পোনা উৎপাদন, ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগির খামার ব্যবস্থাপনা, হাঁস ও কোয়েল পালন, গরু-ছাগলের লালন-পালন, দুগ্ধ খামার, পশুখাদ্য ও ঘাস চাষ, টিকাদানের সূচি এবং খামারের হিসাব ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে লেখা বই।
খামারির কাজে আসবে এমন বই বাছাইয়ের নিয়ম
রোগ বা চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিষয়ে বই পড়ার পাশাপাশি নিবন্ধিত পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ। বইপোকা কেবল প্রয়োজনীয় বইটুকু এগিয়ে দেয়।
পুকুর প্রস্তুতি, পানির গভীরতা ও গুণাগুণ, পোনা ছাড়ার ঘনত্ব এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে লেখা ব্যবহারিক বই দিয়ে শুরু করুন। মিশ্র চাষের বই হলে একই পুকুরে কয়েক প্রজাতির হিসাব পাওয়া যায়। ছক ও সময়সূচি থাকলে প্রথম মৌসুমেই কাজে লাগে।
শেড তৈরি ও বায়ুচলাচল, বাচ্চা ব্রুডিংয়ের তাপমাত্রা, খাদ্য রূপান্তর হার, টিকাদানের সূচি, জৈব নিরাপত্তা এবং সাধারণ রোগের লক্ষণ ও প্রতিরোধ—এসব বিষয় ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা থাকে। সঙ্গে খামারের হিসাব রাখার পদ্ধতিও অনেক বইয়ে দেওয়া হয়।
বই থেকে লক্ষণ চেনা, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও টিকাদানের সূচি জানা যায়, যা খুবই কাজে দেয়। তবে ওষুধ ও মাত্রা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিবন্ধিত পশুচিকিৎসকের ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। ভুল প্রয়োগে পুরো খামার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।