0টি পণ্য পাওয়া গেছে
কোনো পণ্য পাওয়া যায়নি।
নথি যত বাড়ে, খুঁজে পাওয়া তত কঠিন হয়। ফাইলের পিঠে পরিষ্কার লেখা একটি লেবেল থাকলে আলমারির সামনে দাঁড়িয়েই বোঝা যায় কোনটায় কী আছে। একইভাবে পার্সেলের গায়ে ছাপানো ঠিকানা হাতে লেখার চেয়ে অনেক বেশি স্পষ্ট।
এই সংগ্রহে আছে লিভার আর্চ ও রিং ফাইলের স্পাইনে লাগানোর লেবেল, রঙিন কোডিং স্টিকার, এ-ফোর শিটে বসানো প্রিন্ট করার উপযোগী অ্যাড্রেস লেবেল, পার্সেলের জন্য বড় মাপের শিপিং লেবেল এবং হাতে লেখার উপযোগী ম্যাট ফিনিশের স্টিকার। লেজার ও ইঙ্কজেট, দুই ধরনের প্রিন্টারের উপযোগী শিটই এখানে মেলে।
লেবেল কেনার আগে হিসাব করে নিন
হিসাবরক্ষক, ফাইলিং বিভাগ ও অনলাইনে পণ্য পাঠান যাঁরা, তাঁদের কাজ সহজ করতে এই লেবেলগুলো রেখেছে বইপোকা।
প্রথমে দেখুন এক শিটে কয়টি লেবেল আছে এবং প্রতিটির মাপ কত, কারণ প্রিন্টে বসাতে হলে সফটওয়্যারে একই মাপ ঠিক করতে হয়। এরপর দেখে নিন শিটটি লেজার নাকি ইঙ্কজেট প্রিন্টারের জন্য বলা আছে, ভুল ধরন ব্যবহার করলে কালি ঠিকমতো বসে না।
ফাইলের পিঠে ধুলো বা প্লাস্টিকের মসৃণ আবরণ থাকলে আঠা ভালো বসে না। লাগানোর আগে শুকনো কাপড়ে জায়গাটি মুছে নিন এবং লেবেল বসিয়ে কয়েক সেকেন্ড চেপে ধরুন। স্পাইনের চওড়ার চেয়ে ছোট মাপের লেবেল নিলে কিনারা কম ঘষা খায়, তাই বেশি দিন টেকে।
ঠিকানা বড় ও স্পষ্ট অক্ষরে থাকা সবচেয়ে জরুরি। লেবেল লাগানোর পর উপরে এক টুকরো স্বচ্ছ টেপ দিলে বৃষ্টি বা ঘষা লেগে লেখা নষ্ট হয় না। বাক্সের সবচেয়ে সমতল পিঠে লেবেল বসান, জোড়া বা কিনারার ওপরে বসালে কোণ উঠে আসতে পারে।