5টি পণ্য পাওয়া গেছে
সব মোছার কাজ এক রকম নয়। আঁকার শেডে আলো ফোটাতে হয় ছোট্ট একটি বিন্দু তুলে, আবার নকশার কাগজে চাই গুঁড়াহীন পরিষ্কার মোছা। এসব সূক্ষ্ম কাজের জন্যই আলাদা করে তৈরি হয় বিশেষ ইরেজার।
এখানে পাবেন ডাস্ট-ফ্রি ইরেজার, যার গুঁড়া ছড়িয়ে না পড়ে এক জায়গায় জমে; নিডেড বা মাখা যায় এমন ইরেজার, যা আঙুলে চেপে ইচ্ছেমতো আকার দেওয়া যায়; পেন-টাইপ বা রিট্র্যাক্টেবল ইরেজার, যার সরু ডগায় এক লাইনের ভেতর এক অক্ষর মোছা যায়; আর ইলেকট্রিক ইরেজার। স্থাপত্যের শিক্ষার্থী, স্কেচ শিল্পী ও ড্রাফটসম্যানদের কাজে এগুলো নিয়মিত লাগে।
কোন কাজে কোনটি বেছে নেবেন
ফাইন আর্টস, আর্কিটেকচার ও ডিজাইনের কাজে যাঁরা প্রতিদিন পেনসিল ধরেন, তাঁদের জন্যই এই বিশেষ ইরেজারগুলো এনেছে বইপোকা।
এটি ঘষে মোছার জিনিস নয়। আঙুলে চেপে নরম করে নিয়ে কাগজের ওপর হালকা চেপে ধরলে গ্রাফাইট বা চারকোল তুলে নেয়। সরু ডগা বানিয়ে ছোট অংশে আলো ফোটানো যায়। ময়লা হলে ভেতরের দিকে মুড়ে নিলে আবার পরিষ্কার পৃষ্ঠ বেরিয়ে আসে।
গুঁড়া তৈরি হয় ঠিকই, তবে উপাদানের গুণে সেগুলো ছোট ছোট টুকরো হয়ে একসঙ্গে লেগে থাকে, বাতাসে বা কাগজে ছড়িয়ে পড়ে না। ফলে টেবিল পরিষ্কার রাখা সহজ হয় এবং বড় শিটে কাজ করার সময় নকশার ওপর ময়লা কম পড়ে।
যাঁরা খুব ঘন লেখা বা সূক্ষ্ম নকশা নিয়ে কাজ করেন, তাঁদের জন্য এটি আদর্শ। সরু ডগা দিয়ে পাশের অংশ না ছুঁয়ে নির্দিষ্ট অক্ষর বা রেখা তুলে ফেলা যায়। টেকনিক্যাল ড্রইং, হিসাবের ছক এবং ঘন শেডের ভেতর হাইলাইট তোলার কাজে এটি বিশেষ কার্যকর।