39টি পণ্য পাওয়া গেছে
চারকোলের টান অন্য যেকোনো মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও সাহসী। এক টানে গাঢ় কালো, আঙুলের চাপে ধোঁয়াটে ছায়া, আর ইরেজারের ঘষায় ঝলমলে হাইলাইট—কম সময়ে অনেক দূর যাওয়া যায় বলেই লাইফ ড্রইং ও দ্রুত স্টাডিতে এর এত কদর। মুখাবয়ব, আলো-ছায়ার অনুশীলন কিংবা বড় কাগজে সাহসী কম্পোজিশন, সবেতেই চারকোল মানানসই।
এই সংগ্রহে আছে নরম ভাইন ও উইলো চারকোল স্টিক, গাঢ় দাগের কম্প্রেসড চারকোল, হাত পরিষ্কার রাখে এমন চারকোল পেন্সিল, গ্রাফাইট স্টিক ও স্কেচ পেন্সিলের সেট। সঙ্গে থাকে ব্লেন্ডিং স্টাম্প ও টর্শন, কাইনিডেড ইরেজার, স্যান্ডপেপার ব্লক এবং কাজ শেষে দাগ স্থির রাখার ফিক্সেটিভ স্প্রে। রুক্ষ, দানাদার পৃষ্ঠের কাগজে চারকোল সবচেয়ে ভালো ধরে, তাই টেক্সচারযুক্ত স্কেচ পেপারও এখানে খুঁজে নেওয়া যায়।
চারকোলে কাজ করার সময় কয়েকটি পরামর্শ:
লাইফ ড্রইং ক্লাসের শিক্ষার্থী, পোর্ট্রেট চর্চাকারী ও স্কেচবুকপ্রেমীদের জন্য চারকোলের পুরো সরঞ্জাম রেখেছে বইপোকা।
ভাইন বা উইলো চারকোল নরম ও হালকা, সহজে মুছে ফেলা যায়, তাই শুরুর রূপরেখা ও সংশোধনের কাজে ভালো। কম্প্রেসড চারকোল ঘন ও গাঢ়, এক টানেই কালো বসে যায়, কিন্তু মোছা কঠিন—তাই ছবির শেষ পর্যায়ের গভীর ছায়ায় ব্যবহার করুন।
কাজ শেষে ফিক্সেটিভ স্প্রে দিন—এটি কণাগুলো কাগজে আটকে রাখে। আঁকার সময় হাতের নিচে আলাদা কাগজ রাখুন, আর পাতার মাঝে ট্রেসিং পেপার দিয়ে স্কেচবুক বন্ধ করুন। স্প্রে সবসময় বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় ব্যবহার করবেন।
দানাদার বা টেক্সচারযুক্ত পৃষ্ঠের কাগজ বেছে নিন, কারণ খাঁজে চারকোলের কণা আটকে থাকে এবং টোন গভীর হয়। খুব মসৃণ কাগজে কণা বসে না, ফলে রেখা পিছলে যায়। বেশি জিএসএমের কাগজ হলে বারবার মোছার চাপেও ছিঁড়ে যায় না।