1টি পণ্য পাওয়া গেছে
সাদা একটা মাটির মগ কিংবা পুরোনো সুতির ওড়না—সামান্য রঙের ছোঁয়াতেই নতুন হয়ে ওঠে। সিরামিক আর ফেব্রিক পেইন্টিং ঠিক এই কাজটাই করে, আর শেখার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণও লাগে না।
এই বিভাগে থাকে কাপড়ের জন্য তৈরি ফেব্রিক কালার, মাটির ও কাচের পাত্রে ব্যবহারের সিরামিক ও গ্লাস কালার, আউটলাইনার টিউব, ফেব্রিক গ্লিটার, উপযুক্ত ব্রাশ, স্টেনসিল ও ব্লক। শাড়ি-পাঞ্জাবিতে হাতে আঁকা নকশা, মাটির শোপিস রাঙানো, উপহারের মগ সাজানো—নানা কাজে এগুলো ব্যবহার হয়।
রঙ টেকসই করতে যে ধাপগুলো মানবেন
শৌখিন আঁকিয়ে, বুটিকের ছোট উদ্যোক্তা আর হাতে বানানো উপহার ভালোবাসেন যাঁরা—তাঁদের জন্য এই রঙগুলো এনেছে বইপোকা।
প্রথমে রঙ পুরোপুরি শুকিয়ে নিন, তারপর প্যাকেটের নির্দেশ অনুযায়ী উল্টো দিক থেকে ইস্ত্রি করে হিট-সেট করুন। এরপর ঠান্ডা পানিতে মৃদু সাবানে হাতে ধোয়াই ভালো। কড়া ব্লিচ, গরম পানি ও বেশি ঘষা এড়িয়ে চললে নকশা দীর্ঘদিন উজ্জ্বল থাকে।
মসৃণ ও অশোষক পৃষ্ঠে ভালো বসে, যেমন গ্লেজ করা মাটির পাত্র, কাচ ও টাইলস। আঁকার আগে গা পরিষ্কার ও শুকনো থাকতে হবে। কোন রঙ কোন পৃষ্ঠে চলবে এবং বেক করা লাগবে কি না, তা প্যাকেটের নির্দেশে লেখা থাকে—সেটি দেখে নেওয়াই নিরাপদ।
সরল জ্যামিতিক ছক, ফুল-পাতার সাধারণ মোটিফ বা বিন্দু-রেখার নকশা দিয়ে শুরু করুন। স্টেনসিল বা ব্লক ব্যবহার করলে হাত স্থির না হলেও নকশা পরিষ্কার আসে। প্রথমে বাড়তি এক টুকরো কাপড় বা পুরোনো পাত্রে অনুশীলন করে নিলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে।