33টি পণ্য পাওয়া গেছে
একই পেন্সিল, একই রং—অথচ কাগজ বদলালে ছবিটাই বদলে যায়। কাগজের পুরুত্ব, পৃষ্ঠের দানা আর পানি ধরে রাখার ক্ষমতা ঠিক করে দেয় রেখা কতটা পরিষ্কার বসবে আর ওয়াশ কতটা সমান হবে। তাই মাধ্যম বুঝে কাগজ বেছে নেওয়া আঁকার সবচেয়ে অবহেলিত অথচ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
এই বিভাগে আছে সাধারণ স্কেচ প্যাড, মোটা কার্ট্রিজ পেপার, পানি টানতে পারে এমন ওয়াটার কালার পেপারের প্যাড ও শিট, চারকোলের জন্য দানাদার কাগজ, মার্কারের কালি ছড়ায় না এমন মসৃণ শিট এবং রঙিন ও ক্রাফট পেপার। মাপে মেলে ছোট পকেট সাইজ থেকে এ-থ্রি ও তার চেয়ে বড় শিট পর্যন্ত। বাঁধাইয়েও পার্থক্য—স্পাইরাল প্যাডে পাতা উল্টে সমতল করে রাখা যায়, গ্লু-বাউন্ড প্যাড থেকে পাতা পরিষ্কারভাবে ছিঁড়ে নেওয়া যায়।
কাগজ বাছাইয়ের সময় দেখে নিন:
স্কুলের আঁকার ক্লাস, ডিজাইন ও স্থাপত্যের শিক্ষার্থী এবং নিয়মিত স্কেচ করা মানুষের জন্য নানা ধরনের কাগজ রেখেছে বইপোকা।
জিএসএম হলো প্রতি বর্গমিটারে কাগজের ওজন, অর্থাৎ পুরুত্বের মাপ। সাধারণ পেন্সিল স্কেচে মাঝারি জিএসএম যথেষ্ট। পানির রং, গৌয়াশ বা অ্যাক্রিলিকের কাজে বেশি জিএসএমের কাগজ নিন, নইলে পানি টানলে পাতা ঢেউ খেয়ে যায়।
স্পাইরাল প্যাডের পাতা পুরোপুরি উল্টে সমতল করে রাখা যায়, তাই ইজেল বা কোলে রেখে আঁকতে সুবিধা। গ্লু-বাউন্ড প্যাডের প্রান্ত আঠা দিয়ে আটকানো থাকে, পাতা পরিষ্কারভাবে ছিঁড়ে নেওয়া যায়—জমা দেওয়ার কাজের জন্য এটি বেশি উপযোগী।
হ্যাঁ, সাধারণ কাগজে অ্যালকোহলভিত্তিক মার্কারের কালি ছড়িয়ে পড়ে ও উল্টো পিঠে ছাপ ফেলে। মার্কার পেপার মসৃণ ও কম শোষণক্ষম, তাই রং সমান বসে, প্রান্ত পরিষ্কার থাকে এবং স্তরে স্তরে রং লাগালেও কাগজ ভিজে নষ্ট হয় না।