‘উপনিবেশের লুটপাটের ইতিহাস প্যাকেজ’ ওয়াল্টার রডনি ও শশী থারুর-এর লেখা ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিষয়ক বই। সন্দীপন প্রকাশন থেকে প্রকাশিত। এর কলেবর ৭২৮ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2025।
বাংলা-ভারত-পাক লুটপাটের ইতিহাস
১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে ডুবল স্বাধীনতার সূর্য। এর তিন বছরের মাথায় ইউরোপের আকাশে উঠল উন্নয়নের সূর্য। শুরু হলো শিল্পবিপ্লব। এরপর রেনেসাঁস, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি আর ক্রমাগত উন্নতি… বাণিজ্যের সন্ধানে যাযাবর হয়ে ঘুরে বেড়ানো ইউরোপ ‘কীভাবে’ আলাদিনের চেরাগ পেয়ে গিয়েছিল?
১৮শ শতকে ‘বাংলা-ভারত-পাক’ ছিল বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দেশ। কিন্তু ব্রিটিশরা আসার পর ধীরে ধীরে তা নিম্ন আয়ের দেশ হয়ে গেল ‘কী’ করে?
ধন-ধান্যে সমৃদ্ধ সোনার বাংলা দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ত কালেভদ্রে একবার। কিন্তু ব্রিটিশরা আসার পর দুর্ভিক্ষ হতে থাকল প্রতি ছয় বছরে একবার।
এমন অসংখ্যা ‘কী-কেন-কীভাবে’র উত্তর খুঁজে পাবেন ড. শশী থারুর রচিত এই গ্রন্থে।
লুটপাটের ইতিহাস পড়ুন। সভ্যতার মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা লুটেরাদের চিনুন। ওরা আমার-আপনার রক্ত শোষণ করে গড়ে তুলেছে চোখ-ধাঁধানো ইমারত।
আফ্রিকা লুটপাটের ইতিহাস
ইউরোপের উন্নতি ও আফ্রিকার অবনতি কোনো আলাদা ঘটনা নয়। বরং তা মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। ইউরোপ সমৃদ্ধ হয়েছে আফ্রিকার সম্পদ লুট করে। তাদের উন্নতি, শিল্পায়ন এবং আধুনিকতার ভিত গড়ে দিয়েছিল আফ্রিকার প্রাকৃতিক ও মানব সম্পদ। দাস ব্যবসা থেকে ঔপনিবেশিক শাসন—সবকিছুই ছিল সেই লুটপাটের অংশ। লক্ষ্য ছিল—আফ্রিকাকে নিঃশেষ করে ইউরোপে পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটানো।
ঔপনিবেশিক শাসন শেষ হয়েছে। কিন্তু আফ্রিকার শরীরে আজও রয়ে গেছে সেই ক্ষতচিহ্ন।
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।