"তরঙ্গভঙ্গ" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: “কড়া নাড়ালাম পার্ক সার্কাসের একটি বাড়ির দরজায়। বেরিয়ে এলেন সৌম্যমূর্তি সুদর্শন দীর্ঘাঙ্গ এক যুবক, গৌরবর্ণের সঙ্গে চোখের বুদ্ধিদীপ্ত শাণিত দৃষ্টি চোখে পড়ার মতাে। মনে পড়ে তার হলদে ফ্রেমের চশমা, হাতে ধূমায়িত চায়ের কাপ। পরনে কলকি বা পেইলি নকশা আঁকা বিদেশী রাত্রিবাসের ওপর বার্গানিড সুবার ঘন লাল রং-এর ড্রেসিং গাউন, একটা স্থির চিত্রের মতাে বহুদিন মনে ফ্রেমে বাঁধাই করা ছিল।” | সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লাজুক, আত্মমগ্ন, বুদ্ধিমান নির্জনতাপ্রিয় স্বভাবের কারণে তাকে অনেকে উন্নাসিক, দাম্ভিক, অসামাজিক বলে ব্যাখ্যা করে থাকে। কিন্তু শৈশবে মাতৃহীন একটি ছেলের এরকম বর্হিবিমুখ শিল্পমগ্ন হওয়া দোষের কিছু নয়।