প্রজ্ঞা আর অনুভূতির মেলবন্ধনে লেখা খলিল মজিদের কাব্যগ্রন্থ ‘তরল মন্দিরা’। প্রথম বই ‘পালকাপ্য’-এর পর এই বইয়ে কবি আরও স্পষ্টভাবে নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলার পথে হেঁটেছেন।
খলিলের কবিতায় সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক চিহ্নের যুগলবন্দি চোখে পড়ে, সঙ্গে ক্রিয়াপদের ঘরোয়া, সহজ চলন। হাজার বছরের সাংস্কৃতিক স্মৃতি থেকে উপাদান নিয়ে তিনি ক্ষণকালের সীমা পেরিয়ে মহাকালের দিকে ইশারা করেন। কবিতাগুলো যত এগোয়, লিখনরীতিতে সচেতন নিরীক্ষার ছাপ তত স্পষ্ট হয়; প্রচলিত কাব্যভঙ্গি পেরিয়ে তৈরি হয় নিজস্ব এক বাচন। তপোধীর ভট্টাচার্য এই বইকে কবির আত্মবিনির্মাণের ঘোষণা হিসেবে পড়েছেন।
চৌষট্টি পৃষ্ঠার এই সমকালীন কবিতার বই চিন্তাশীল, তত্ত্বমনস্ক কবিতার পাঠকদের বিশেষ ভালো লাগবে।