পলাশ মাহবুব রচিত ‘টমজ’ — শিশু-কিশোর উপন্যাস। অন্বেষা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত। এর কলেবর ৯৪ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2015।
গোকুলনগর হাইস্কুলে একসাথে তিনজন ছাত্র ভর্তি হয়েছে। তাদের চেহারা এক। হেডস্যার চোখ কপালে তোলেন। যমজ পর্যন্ত তো দেখছি। এইটা আবার কোন তামশা! অনেক জল ঘোলা শেষে হেডস্যারই তাদের নাম দেন- টমজ। পাতলা হুমায়ুনের কল্যাণে স্কুলে খবর ছড়াতে সময় লাগে না। হুমায়ুনের পেটে সমস্যা। হুমায়ুন হেডস্যারের পিয়ন। হুমায়ুনের বাবার নাম আকবর। চাকরির প্রথম দিন হেডস্যার হুমায়ুনের বায়োডাটা দেখে চোখ কপালে তুললেন। করেছিস কি তোরা! বাপ-বেটা মিলে তো ইতিহাসের তো সাড়ে সর্বনাশ ঘটিয়েছিস। এতদিন জানতাম হুমায়ুনের ছেলে আকবর। এখন দেখছি আকবরের ছেলে হুমায়ুন। মোঘল সা¤্রাজ্য তো ওলট-পালট করে দিলিরে। এই টমজদের নিয়ে গোকুলনগর হাইস্কুলে চলতে থাকে নানা কাণ্ড। ইতিহাসের জলিল স্যার, হেডস্যারকে সংবধর্না দেয়ার আয়োজন করেন। কারণ তিনি বাংলা শব্দভাণ্ডারে টমজ নামে একটি নতুন শব্দ যোগ করেছেন। ব্যাকরণের খাদিজা ম্যাডাম ক’মাস পরে পরে বদলান চশমার পাওয়ার। টমজদের চিনতে গিয়ে তার চোখের বারোটা বেজেছে। ওদিকে এক চেহারার সুযোগে টমজ তিনভাই- আপন, পাপন আর রাপন সমানে মেরে যাচ্ছে ‘এক ঢিলে তিন পাখি’।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। বইপোকা থেকে অর্ডার করুন।