তোমাদের জন্য রূপকথার ফ্লাপে লেখা কথা মার্কিন গবেষণা পত্রিকা ‘স্মিথসােনিয়ান ম্যাগাজিন'-এর পাতা উল্টাতে গিয়ে হঠাৎই বের হয়ে পড়ল একটা রঙিন স্প্রেডশিট। তিন পাতা জুড়ে মনমাতানাে হাতে আঁক, ছবি। ওয়াল্ট ডিজনির বিখ্যাত কার্টুন চলচ্চিত্র ‘রবিন হুড'-এর বিজ্ঞাপনে আটকে গেলেন হুমায়ুন আহমেদ। বললেন, ‘রেখে দিন ছবিটা... বাচ্চাদের জন্য কয়েকটা গল্প লিখে দেব। আর এভাবেই ‘তােমাদের জন্য রূপকথা’র শুরু। রূপকথা যে ভিন্নমাত্রায় উপস্থাপন করা যায়-হুমায়ূন আহমেদ দেখালেন প্রথম। ডাইনী মানেই ভয়ংকর! না, মােটেই না। “বাচ্চারা খিলখিল করে হাসে। কানী ডাইনীকে তারা মােটেই ভয় পায় না।” হুমায়ুনের দৈত্যটা ভীষণ বােকা আর ভীতু। তাঁর দৈত্যরা মানুষের কষ্টে চোখের পানি ফেলে। আবার ‘আলাউদ্দিনের চেরাগ' পাওয়ার পরও কোনাে লােভ-লালসা স্পর্শ করে হুমায়ূনের গল্পের মানুষদের। গল্পগুলাে লেখার সময় হুমায়ুন আহমেদের সংশয় ছিল তিনি ক্ষুদে পাঠকদের কাছে পৌঁছতে পারবেন কি না। আর আমরা সবই জানি-তিনি এ ক্ষেত্রেও শতভাগ সফল।