ভূমিকা নিখোঁজ বিমান: খড়খড় করে উঠল এয়ারপোর্ট টাওয়ারের রেডিওস্পিকার। শোনা গেলে খ্যানখ্যানে হাসি। রক্ত পানি করা ভূতুড়ে কণ্ঠে কথা বলতে শুরু করল সাগরে ডুবে মরা এক পাইলট। প্রথমে এল হুমকি। আপর প্রাণনাশের চেষ্টা মারাত্নক বিপদ অগ্রাহ্য করে ধীরে ধীরে জটিল এক রহস্যের প্যাঁচ খুলল তিন গোয়েন্দা। < শিকারী বাজপাখি: চোখের পলকে থাবা দিয়ে উড়ন্ত পায়রাটাকে ধরে ফেলল শিকারী বাজপাখি। পায়রার পায়ে বাঁধা সাঙ্কেতিক অক্ষরে লেখা মেসেজটা রহস্যময় মনে হলো তিন গোয়েন্দার কাছে। ভয়ঙ্কর একদর অপরাধীকে অনুসরণ করে গিয়ে পৌঁছল ভয়াল লায়ন মাউণ্টেইন-এ। কাদের বিরুদ্ধে লেগেছে যখন বুঝল ওরা, দেরি হয়ে গেছে অনেক ।পিছিয়ে আসার সব পথ রুদ্ধ। সময়-তুড়ঙ্গে রবিন: প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমি রবিন। তোমা্দের মনে আছে নিশ্চয়। ‘সময়-তুড়ঙ্গ’ বইতে রহস্যময়ভাবে উধাও হয়ে গেছে কিশোর? আর ‘পিচাশকন্যা’ বইতে ভীষণ ক্ষমতার অধিকারী হয়েছে জিনা? এবার আমার পালা। মৃত্যুদণ্ড পিছু নিয়েছে আমার, পালিয়ে বেড়াচ্ছি আমি। ভয়ঙ্কর এই রহস্যের কিনারা করতে হলে প্রথমে নিজেকে বাঁচতে হবে আগে, তারপর খুঁজে বের করতে হবে কিশোরকে। অর্থ্যাৎ অসাধ্য সাধন করতে হবে।