"তিন গোয়েন্দা ভলিউম-১১৮" বইটির সম্পর্কে কিছু কথা: চোরের পিছেঃ অদ্ভুত কৌশলে মিংকের কোট গছিয়ে স্টক সার্টিফিকেট বিক্রি করে যাচ্ছে এক সুন্দরী মহিলা। ঠগবাজীর গন্ধ পেল কিশোর। দুই সহকারীকে নিয়ে তদন্তে নামল। রকি বীচ থেকে চোরের পিছু নিয়ে সান্তা মণিকা পর্বতমালার বরফে ঢাকা দুর্গম পাহাড়ী অঞ্চলে পাড়ি জমাল তিন গোয়েন্দা। গোলক ধাঁধাঃ ডেথ সিটির ডাইনি এরিকা মুনের প্রাসাদে ঢুকেছে তিন গোয়েন্দা ও রোডা। নরখাদক ট্রোলেরা ধরে নিয়ে গেল ওদের। সিদ্ধ করে খাবে, না কাবাব বানিয়ে, নাকি জ্যান্ত কেটে কেটে, এই নিয়ে বাধল তর্ক। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল কিশোরী জোডিন। বাঁচতে পারবে তো গোয়েন্দারা? চিঠির ফাঁদেঃ ঘটনাচক্রে কারেন পাশার বেশ কয়েকটা চিঠি চলে এল কিশোর পাশার কাছে। এক সময় উদয় হলো মহিলা। দাবি করল চিঠিগুলো। কিন্তু এর মধ্যে রহস্যের গন্ধ পেল তিন গোয়েন্দা। জড়িয়ে পড়ল তাতে।