প্রথম মহাযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ ১০ বছর পেরিয়ে গেছে। জার্মানি জুড়ে প্রকট বেকারত্ব, হতাশা, রাজনৈতিক অস্থিরতা। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র তিন যুবক এবং তাদের একজনের প্রেমিকা। তিন যুবক পশ্চিম রণাঙ্গনে সম্মুখযুদ্ধে প্রাণপণে লড়াই করেছিল; একসঙ্গে দেখেছিল যুদ্ধের বিভীষিকা। সেই বিভীষিকার দীর্ঘ ছায়া থেকে তারা আজও বেরোতে পারেনি। তারা একটা মোটরগাড়ি মেরামতের কারখানা দিয়েছে; গাড়ি মেরামত করা, পেট্রল বিক্রি করা আর পুরোনো গাড়ি কেনাবেচা করা তাদের কাজ; এই তাদের জীবিকা। যুদ্ধে সব ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন; তারা বাস করে বর্তমান মুহূর্তে, তাদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। ঘটনাক্রমে তিন বন্ধুর মাঝখানে আবির্ভাব ঘটে এক তরুণীর; সেও যেন-বা ভেসে এসেছে এবং ভেসে বেড়াচ্ছে। তিন বন্ধুর একজন তার প্রেমে পড়ে; অন্য দুইজন সেই প্রেম সার্থক করার জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত। এমন নিখাদ, নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের নিদর্শন অত্যন্ত বিরল। থ্রি কমরেডস এখনো বিশ’জুড়ে বিপুলভাবে পঠিত উপন্যাসগুলোর অন্যতম।