
উপন্যাসটি শুরু হয় মারসোর মায়ের মৃত্যু সংবাদ দিয়ে। যিনি জীবনের শেষ দিনগুলো কাটিয়েছেন মারেদোর এক বৃদ্ধাশ্রমে। টাকার অভাবে মায়ের ঠিকমতো দেখভাল করতে পারছিল না সে। তাই তাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেয়া। আলজিয়ার্সে ছোটখাটো এক চাকরি করা মারসো ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব একটা ভাবে না। সেটা তার কাছে বিলাসিতা মনে হয়। সে ব্যস্ত থাকে বর্তমান নিয়ে। আশপাশের মানুষ কে কী ভাবছে তাকে নিয়ে কী বলছে, সেটাও সে গায়ে মাখে না। মানুষের কাছে মনে হয় এক অদ্ভুত নির্লিপ্ততা নিয়ে পৃথিবীতে বাস করে সে। তবে মারসোর কাছে সেটা নির্লিপ্ততা নয় বরং স্বাভাবিকতা। নির্মোহভাবে জীবনযাপনের এক নিজস্ব পদ্ধতি। ঘটনাচক্রে এক আরবকে গুলি করে হত্যা করে মারলো। আদালতে তার বিচার শুরু হয়। কিন্তু মারসো অবাক হয়ে দেখতে পায় তার অপরাধের চেয়ে বরং তার ব্যক্তিজীবনই বেশি প্রাধান্য গায় আদালতে। কাঠগড়ায় বসে উকিলদের যুক্তিতর্ক শুনতে শুনতে মারসো বুঝতে পারে এই সমাজের কাছে সে একজন ঘৃণিত ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে। অথচ সে বেশিকিছু চায়নি এই সমাজের কাছে শুধু নিজের মতো চলতে চেয়েছিল, বেঁচে থাকতে চেয়েছিল সুখী মানুষ হয়ে।
ই-বুক পড়ুন সাবস্ক্রিপশনে
সক্রিয় সাবস্ক্রিপশন প্ল্যানে অনলাইনে পড়া ও শোনা যাবে। ডাউনলোড সুবিধা শুধুমাত্র ক্রেতাদের জন্য।
লেখক: আলবেয়ার কামু
প্রকাশক: বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
ফাইল সাইজ: 12.44 MB