প্রিয় মিঃ কার্ণেগী, আমি একজন আয়বন ব্যবসায়ী। বিগত কয়েক বছর ধরে আমি শুধু লোকসান দিয়ে এসেছি। অথচ আমার দিক থেকে চেষ্টা, অধ্যবসায় আর ধৈর্য্যরে কোন কমতি ছিল না। আমি আপনার কথা শুনেছি। তাই মনে সাহস এনে চিঠিটি লিখছি। আমি কি আমার কর্মদক্ষতা বাড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের লোকসানের ধাক্কা সামলে লাভের মুখ দেখতে পারবো? উপার্জনের নতুন পথ খুঁজে পাবো? যখনই আমি কোন কিছু বলার চেষ্টা করি, আমার সবকিছু কেমন গুলিয়ে যায়। আমাদের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সমিতিতে এবারে আমাকে সহ-সভাপতি পদে মনোনীত করা হয়েছে। খুব শিঘ্রই সমিতির বার্ষিক অধিবেশন শুরু হবে। সহ-সভাপতি হিসাবে বক্তব্য রাখতে হবে আমাকে। অথচ মঞ্চে উঠলেই আমার হাত-পা ঠক ঠক করে কাঁপতে থাকে। গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে আসে। সমস্ত ভাবনা চিন্তা আমি গুলিয়ে ফেলি। ভয়ে ভাবনায় অতি মাত্রায় আত্মসচেতন হয়ে উঠি। কী বলবো তা কিছুতেই মনে করে উঠতে পারি না। পূর্বেও বহুবার এমন হয়েছে। মিঃ কার্ণেগী, আমি সফল বক্তা হিসাবে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই। আমি এটা বুঝতে পেরেছি যে, কেবল একজন সফল বক্তাই কথার বিনিময়ে লোকের মন জয় করতে পারে। তুলতে পারে আয় উন্নতি বাড়িয়ে। আপনি আমাকে সাহায্য করুন। নির্দেশ দিন। কীভাবে কেমন করে আমি জীবনের প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হবো। এ চিঠিটি আমাকে বোস্টনের এক ভদ্রলোক লিখেছেন।