লেখক সুভাষচন্দ্র বসু-এর ‘দ্য ইন্ডিয়ান স্ট্রাগল’ পাঠকের সামনে এসেছে ঔপনিবেশকাল ও ভারত বিভাগ বিষয়ক বই হিসেবে। শোভা প্রকাশ থেকে প্রকাশিত। সব মিলিয়ে হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 2nd Edition, April 2024।
এই পুস্তক সম্বন্ধে বিশেষ কোনও মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের যুগসন্ধিক্ষণের সঙ্কটময় অধ্যায় এই গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। ভারতীয় বিপ্লবের শ্রেষ্ঠ নায়কের লিখিত সেই ইতিহাস পড়বার অপূর্ব সুযোগ বাংলার নরনারী পাবেন। কেবল তা নয়,ভবিষ্যতের সন্ধান ও পথের ইঙ্গিতও নেতাজী এই পুস্তকে দিয়েছেন। ভারত হতে ঐতিহাসিক অন্তর্ধানের পর ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে জার্মানিতে পৌছেই সুভাষচন্দ্র বহিঃভারতে আজাদ হিন্দ আন্দোলন গড়ে তুলবার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। এই আন্দোলনের ভিত্তি স্থাপনের পর ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে কিছুদিনের জন্য বিশ্রামলাভের আশায় তিনি অস্ট্রিয়াস্থিত বাগাস্টাইন শহরে যান। সেখানে এই পুস্তক রচনা আরম্ভ হয়। ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রæয়ারি মাসে পূর্ব-এশিয়ায় ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সর্বাধিনায়কত্ব গ্রহণের জন্য নেতাজীকে সাবমেরিনযোগে বিপদসঙ্কুল সমুদ্রযাত্রা করতে হয়। ইউরোপ-ত্যাগের পূর্র্বেই তাঁর অতি-কর্মব্যস্ত জীবনের অবসর সময়ে তিনি এই পুস্তক রচনা শেষ করেন।
ইতিহাস, সমাজ ও রাজনীতিতে আগ্রহী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।