তরজমা ও তাফসীর বিষয়ক বই হিসেবে ‘তাফসীরে ইবনে কাছীর ১১তম খণ্ড’ লিখেছেন আল্লামা ইব্নে কাছীর (রহ.)। বইটি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। সব মিলিয়ে ৬৪০ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 3rd Edition, 2014। বিষয়ভিত্তিক বেস্টসেলারের তালিকায় বইটি জায়গা পেয়েছে।
মহাগ্রন্থ আল-কুরআন সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা)-এর উপর অবতীর্ণ এক অনন্য মু’জিযাপূর্ণ আসমানী কিতাব। আরবী ভাষায় নাযিলকৃত এই মহাগ্রন্থ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ইঙ্গিতময় ভাষায় মহান রাব্বল আলামীন বিশ্ব ও বিশ্বাতিত তাবৎ জ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডার বিশ্ব-মানবের সামনে উপস্থাপন করেছেন। মানুষের ইহকালীন ও পরকালীন জীবনসম্পৃক্ত এমন কোন বিষয় নেই, যা পবিত্র কুরআনে উল্লিখিত হয়নি। বস্তুত আল-কুরআনই সত্য ও সঠিক পথে চলার জন্য আল্লাহপ্রদত্ত নির্দেশনা, ইসলামী জীবন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি। সুতরাং পরিপূর্ণ ইসলামী জীবন গঠন করে দুনিয়া ও আখিরাতে মহান আল্লাহ্ রাব্বল আলামীনের পূর্ণ সন্তুষ্টি অর্জন করতে হলে পবিত্র কুরআনের দিক-নির্দেশনা ও অন্তর্নিহিত বাণী সম্যক অনুধাবন এবং সেই মােতাবেক আমল করার কোনও বিকল্প নেই। পবিত্র কুরআনের ভাষা, শব্দচয়ন, বর্ণনাভঙ্গী ও বাক্য বিন্যাস চৌম্বক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন, ইঙ্গিতময় ও ব্যঞ্জনাধর্মী। তাই সাধারণের পক্ষে এর মর্মবাণী ও নির্দেশাবলী পূর্ণভাবে অনুধাবন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। এমনকি ইসলামী বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরাও কখনও কখনও এর মর্মবাণী সম্যক উপলব্ধি করতে সক্ষম হন না। এই সমস্যা ও অসুবিধার প্রেক্ষাপটেই পবিত্র কুরআনের বিস্তারিত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ সম্বলিত তাফসীর শাস্ত্রের উদ্ভব।
বিশেষ করে ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি কাজে লাগবে। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।