ফ্ল্যাপে লিখা কথা দোলনের সঙ্গে কী হায়দার সাহেবের কোনও মনের সম্পর্ক ছিল? যদি তা না হয় তাহলে তাঁর স্ত্রী শিরিন কেন দোলনের নাম শুনতে পারে না? কেত কেন দোলনের নাম শুনলে অদ্ভুত এক ঈর্ষায় আক্রান্ত হয় শিরিন? এসব জানেন বলেই দোলনের সঙ্গে আর কোনও সম্পর্ক রাখেননি হায়দার সাহেব। যমজ দুইমেয়ে শিলা মিলা আর স্ত্রী শিরিনকে নিয়ে অতি সুখের জীবন তাঁর। বিশাল অবস্থাপন্ন মানুষ তিনি। ওদিকে দোলন পড়ে আছে তাঁর গ্রামে। স্বামীর মৃত্যুর পর একমাত্র ছেলেকে নিয়ে অতিকষ্টে বেঁচে আছে সে। ছেলে মজনু বিএ পাশ করেছে কিন্তু কোথাও চাকরি পায়ানি। গ্রামে গ্রামে টিউশনি করে মাকে নিয়ে বেঁচে আছে সে। মনজুর কিডনীর অসুখ। উপায় না দেখে চিকিৎসার জন্য মনজুকে দোলন পাঠিয়েছে হায়দার সাহেবের কাছে। শিলা মিলা দুবোনের একজন অতি চঞ্চল , আরেকজন ধীরস্থির মায়াবী ধরনের। মনজু এসে পড়ে তাদের মাঝখানে। শুরু হয় এক অদ্ভুত সম্পর্ক । এরকম পারিবারিক পটভূমির গল্প ‘সুপুরুষ’।