প্রিয় গ্রাহক, পশ্চিমবঙ্গের বইয়ের অর্ডারে ৫০% অগ্রিম পেমেন্ট করতে হবে। বাকি ৫০% ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পরিশোধ করা যাবে।
বই সরবরাহ করতে না পারলে অগ্রিম টাকা সম্পূর্ণ ফেরত দেওয়া হবে।
পশ্চিমবঙ্গের বই — অর্ডার করলে আনুমানিক ২৫–৩০ দিনে হাতে পাবেন।
১৮৮৭ খৃষ্টাব্দের ৩০ অক্টোবর কলকাতায় সুকুমার রায়ের জন্ম। পিতা উপেন্দ্রকিশোর এবং মাতা বিধুমুখী দেবীর প্রথম পুত্র। তিন ভাই তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয় ও তাঁর উপরে ছিলেন দিদি সুখলতা। ১৯১৪ সালে সুকুমার রায়ের প্রথম যে লেখাটি সন্দেশ পত্রিকাতে প্রকাশিত হয় তার নাম 'খিচুড়ি'। এর পর কাঠবুড়ো, ছায়াবাজি, গোঁফচুরি, বিজ্ঞান শিক্ষা, খুড়োর কল প্রভৃতি একে একে বের হতে থাকে। ১৯১৫ সালে পিতা উপেন্দ্রকিশোরের মৃত্যু হলে 'সন্দেশ' পত্রিকার সম্পাদনার ভার বর্তায় সুকুমার রায়ের উপর। ১৯১৫ থেকে ১৯২৩: এই আট বছর তিনি এই পত্রিকাটির সম্পাদনা করে শিশু সাহিত্যের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেন। একই সাথে সানডে ক্লাব নামেও একটি সাহিত্য সভার প্রতিষ্ঠা এবং পরিচালনার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। রোগশয্যাতেই কাটে তাঁর জীবনের শেষ আড়াই বছর। সেই অবস্থাতেই তিনি শুয়ে শুয়েই এমন অনেক লেখা এবং ছবি আঁকার কাজ শেষ করেন যেগুলোকে নির্দ্বিধায় তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি বলে স্বীকার করে নেওয়া যেতে পারে। জীবদ্দশায় তিনি তাঁর কোন রচনাকে পুস্তকাকারে দেখে যেতে পারেননি। যদিও পত্র-পত্রিকায় তাঁর বহু লেখাই ছাপা হয়েছিল। ২০ সেপ্টেম্বর ১৯২৩-এ তাঁর প্রথম বই 'আবোলতাবোল' প্রকাশিত হয় তাঁর মৃত্যুর ৯ দিন পর। এই বইয়ের যাবতীয় অলঙ্করণ ও প্রচ্ছদ তিনি রোগশয্যাতে শুয়েই শেষ করে গিয়েছিলেন। বাংলা সাহিত্যে অদ্বিতীয় শিশু সাহিত্যিক সুকুমার রায় ১৯২৩ খৃষ্টাব্দে পরলোক গমন করেন।