মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ খন্দকার রচিত ‘সুদ সমস্যা ও সমাধান’ — ইসলামি অর্থনীতি ও ব্যবসা বাণিজ্য বিষয়ক বই। বাংলাদেশ ইসলামিক ল রিসার্চ এন্ড লিগ্যাল এইড সেন্টার থেকে প্রকাশিত। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ২০৮ পৃষ্ঠা, পেপারব্যাক বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Edition, 2024 নিয়ে।
জনাব মুঃ ফরীদ উদ্ দীন আহমাদ-এর অভিমত মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ খন্দকার রচিত ‘সুদ : সমস্যা ও সমাধান’ শীর্ষক গ্রন্থটি সম্পর্কে অভিমত প্রকাশের সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত। শ্রমসাধ্য এ কাজটি করার ক্ষেত্রে লেখকের পেশাদারি অবদানের জন্য তাকে আন্তরিক মোবারকবাদ। ফরয ইবাদতসমূহের পরেই হালাল জীবিকা অর্জন করাও একটি ফরয। এ ক্ষেত্রে ইসলাম কিছু বিধি-বিধান নির্ধারণ করে দিয়েছে। আর্থিক লেনদেনে সততা,স্বচ্ছতা,অঙ্গীকার পূরণ করা,যাকাত দেওয়া,ভালো সেবা প্রদান করার ওপর ইসলামি শরী‘আহ্ ব্যাপক গুরুত্ব দিয়েছে। বিপরীতে সুদ,জুয়া,ধোঁকা,প্রতারণা,মজুতদারি,খাদ্যে ভেজাল মেশানো,মাপে কম দেওয়া,মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি করা ইত্যাদি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। বিশেষ করে সুদের ব্যাপারে ইসলামে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে। প্রধান প্রধান ধর্ম এবং প্রখ্যাত দার্শনিক,অর্থনীতিবিদ ও গবেষকগণ সুদের বিরূপ প্রভাব ও ক্ষতি সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন। কিন্তু তারা সুদের বিকল্প সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দেননি। মহাগ্রন্থ আল-কুরআন ও সুন্নাহতে সুদের বিকল্প কী হতে পারে সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট ঘোষণা রয়েছে। যেমন সুদ নিষিদ্ধ-সংক্রান্ত আয়াতেই এর বিকল্প হিসেবে ব্যবসা-বাণিজ্যের উল্লেখ রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সুদ নয় বরং ব্যবসা-বাণিজ্যের মধ্যেই অর্থনৈতিক কল্যাণ রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকেই সম্পদ অর্জনের বৈধ মাধ্যম হিসেবে কেনাবেচা একটি স্বীকৃত পদ্ধতি।
ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। বইপোকা থেকে অর্ডার করুন।