‘স্টোরিজ অফ ইয়োর লাইফ এন্ড আদার্স’ সালমান হক, লুৎফুল কায়সার ও তানজীম রহমান-এর লেখা সায়েন্স ফিকশন বিষয়ক বই। আফসার ব্রাদার্স থেকে প্রকাশিত। সব মিলিয়ে ২৩২ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published 2020।
বর্তমান সময়ের কল্পবিজ্ঞান পাঠকেরা যেকজন নতুন লেখকের নাম শ্রদ্ধাভরে উচ্চারণ করেন তাদের মধ্যে একজন হলেন টেড শিয়াং। লেখালেখির জন্য অসংখ্য পুরষ্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। এই সংকলনটি তারই কিছু উপন্যাসিকা আর গল্প নিয়ে। ভিনগ্রহের প্রাণীদের সাথে প্রথম যােগাযােগটা হবে কোন ভাষায়? আর সেই যােগাযােগ যদি বদলে। দেয় সময় সম্পর্কে আপনার সমন্বিত ধারণা? মহাবিশ্বে কি আসলেও মানুষ বাদে অন্য কোন প্রাণের অস্তিত্ব নেই? আমরা তাদের সাথে। যােগাযােগ করতে পারছি না, নাকি তারা ইচ্ছেকৃতভাবে যােগাযােগ। কেমন হবে যদি আপনি বুঝতে পারেন যে গণিতের প্রায়। সকল সূত্রই অসঙ্গত? কেমন হবে যদি বিজ্ঞানের একটি শাখার মাধ্যমে। জড়বস্তুর নাম দিয়ে তাদের মধ্যে প্রাণের সঞ্চার করা যায়? যদি মস্তিষ্কের অদ্ভুত একটি চিকিৎসার ফলে আপনি হয়ে ওঠেন অনেক। এই প্রশ্নগুলাের উত্তর পাবেন টেড শিয়াংয়ের গল্পগুলােতে। আসলে উত্তর পাবেন না, তবে নতুন করে চিন্তা করতে শিখবেন। দেরি করছেন কেন? পড়া শুরু করুন, স্টোরিজ অফ ইয়াের লাইফ...অ্যান্ড আদার্স।
সায়েন্স ফিকশন-এ আগ্রহী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।